নজরবন্দি ব্যুরো: এবার কলকাতাতে ঘুড়তে আসা পর্যটকদের জন্য সুখবর। এবার কলকাতাতেও তৈরি হচ্ছে হোম-স্টে। দেশের পর্যটনের একটা বড় অংশ নির্ভর করে থাকে বাংলার ওপরে। সেই জায়গা থেকে পর্যটন শিল্পকে চাঙ্গা করতে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। আর দুর্গাপুজোকে সামনে রেখেই সেই পর্যটন প্রসারে উদ্যোগ নিচ্ছে রাজ্য।
আরও পড়ুন: বিজেপির হয়ে কাজ করছেন বিচারপতি রাজশেখর মান্থা, ক্ষুব্ধ আইনজীবীদের একাংশ


সম্প্রতি কলকাতা পৌর নিগম ও কলকাতা পর্যটন দফতর এক বৈঠকে বসেছিলেন। এই বৈঠকের পরেই তাদের উদ্যোগে প্রকাশ করা হয়েছে গাইডলাইন যা থেকে জানা গেছে কলকাতায় তৈরি হতে চলেছে পর্যটকদের জন্য হোমস্টে এর ব্যবস্থা। এমনকি যারা বাড়ি ভাড়া দেন তাদেরকে হোমস্টের মালিক হিসেবে দেওয়া হবে আলাদা করে ট্রেনিং।

কলকাতায় হোমস্টে তৈরি করা হলে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে বলে আশাবাদী রাজ্য সরকার। প্রকাশিত গাইডলাইনের তথ্য অনুযায়ী জানা যাচ্ছে যে হোমস্টে তৈরি করতে দায়িত্ব দেওয়া হবে পুরসভার কাউন্সিলরদের। বিশ্বের নানা দেশ থেকে বিশেষ করে পড়শি বাংলাদেশ বা নেপাল, ভুটান থেকে বহু মানুষ আসেন কলকাতা ঘুরতে। আর ঘুরতে যাওয়া মানুষের নেশা।
দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে নয়া চমক, কলকাতাই চালু হতে চলেছে হোমস্টে



পাহাড়ে কিংবা সমুদ্র, জঙ্গল কিংবা কোন ঐতিহাসিক স্থান, যেখানেই পর্যটকদের ভিড় সেখানে পর্যটকদের থাকার জন্য ব্যবস্থাও হতে হবে পর্যাপ্ত ও পর্যটকদের মনোমতো। ইদানিংকালে পর্যটকদের হোম স্টে তে থাকার প্রতি ঝোঁক ঊর্ধ্বমুখী। বাবুল সুপ্রিয় জানান, এ বছর বাংলার দুর্গাপুজোকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দিয়েছে ইউনেস্কো। কলকাতাকে যে সম্মান তারা দিয়েছে তাকে সামনে রেখে বাংলার দুর্গাপুজোকে এ বার বিশ্বজনীন করে তোলার লক্ষ্যে আরও একধাপ এগোতে বদ্ধপরিকর রাজ্য। যাঁরা মনে করেন দেশের সবথেকে বড় পুজো মানেই গণেশ পুজো, তাঁদের একবার এসে কলকাতার দুর্গাপুজো দেখে যাওয়া উচিত।







