অপরদিকে বিজেপির আর এক অভিনেতা হিরন চট্টোপাধ্যায় পেয়েছেন এক লাখ ৮২ হাজার ৮৬৪ টি ভোট। সবমিলিয়ে এই লোকসভা কেন্দ্র থেকে তৃতীয়বারের জন্য সাংসদ হয়ে দিল্লির সংসদে তৃণমূলের প্রতিনিধিত্ব করছেন দেব তথা দীপক অধিকারী।
সিবিআর এই রিপোর্ট জমা দেওয়ার পরেই আদালতের তরফে এই মামলার নিষ্পত্তি দেওয়া হয়। যদিও শুরু থেকেই তৃণমূল এবং সাংসদ দেবের পক্ষ থেকে এই গোটা ঘটনা ভোট ময়দানে প্রভাব ফেলার একটি কৌশল বলেই দাবি করা হয়েছিল। এবার তাতেই সিলমোহর দিল সিবিআই ও কলকাতা হাইকোর্ট।
সোহম ও দেব ইন্ডাস্ট্রির মানুষ। দু'জনের পেশাও এক। রাজনৈতিক আদর্শও এক। দেব ও সোহম বন্ধুও বটে। তবু, মারপিটকাণ্ডে সোহমের সমালোচনা করে দেব বলেন, "সোহম আমার বন্ধু। আমার ওর সঙ্গে কথাও হয়েছে। কিন্তু, একজন জনপ্রতিনিধি হিসাবে সে ঠিক কাজ করেনি। শুধু জনপ্রতিনিধি হিসাবে কেন, একজন মানুষ হয়ে আর এক জন মানুষকে মারধর করা উচিৎ নয়। সোহমের সংযত থাকা উচিৎ ছিল।"
তিনি আরও বলেন, ‘আর বাংলার যে বকেয়া টাকা রয়েছে, সেটা প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার হোক কিংবা একশো দিনের কাজ, প্রধানমন্ত্রী সড়ক যোজনা হোক বা আমাদের জিএসটির যে টাকাগুলো আটকে রাখা হয়েছে, সেগুলো যেন মিটিয়ে দেওয়া হয় এবার। মোদিজির কাছে আমার অনুরোধ’।
‘আমি বলেছিলাম আমি যত ভোট পেয়ে জিতব, ততগুলি গাছ লাগাব। বর্ষার আগেই আমি গাছ লাগানোর উদ্যোগ নেব। আর অবশ্যই ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান আমার কাছে সব চাইতে বেশ গুরুত্বপূর্ণ’।
বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ঘাটালের তৃণমূল প্রার্থী দেবের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনেন গরুপাচারে অভিযুক্ত পিন্টু মণ্ডলের থেকে ২৫ লাখ করী দু'বার মোট ৫০ লাখ টাকা নিয়েছেন।
মাত্র একদিন আগেই ব্যাঙ্কের নথি প্রকাশ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে তিনি লেখেন, 'দেবের কীর্তি'! সেখানে ৫০ লক্ষ টাকার একটি লেনদেন প্রকাশ্যে আনেন বিরোধী দলনেতা।