আন্দোলনকে জোরদার করতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাড়াতেই মহামিছিলের ডাক দিয়েছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। প্রথমে রাজ্যের তরফে অনুমোদন না মিললে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন আন্দোলনকারীরা। এমনকি রাজ্যের তরফে রুট বদলের নির্দেশ দেওয়া হলেও তা মানতে চাননি সরকারি কর্মচারিরা। বৃহস্পতিবার আন্দোলনকারীদের পূর্ব প্রস্তাবিত রুটেই মিছিলের অনুমতি দিল হাইকোর্ট।
রাজ্য বিধিবিষেধ আরোপ করতে পারে। কিন্তু DA আন্দোলনকারীদের মিছিলে আপত্তি কেন? প্রশ্ন তোলেন তিনি। বিচারপতির মন্তব্য ছিল, মিছিলের জন্য অনুমতি চেয়ে ৩০ থেকে ৪০টি মামলা আমার কাছে এসেছে। কিন্তু মিছিল করার জন্য কেন আদালতকে বার বার হস্তক্ষেপ করতে হবে? পরে DA মিছিলের অনুমোদন দিল হাইকোর্ট।
৬ তারিখ মহামিছিলের ডাক দিয়েছিল সরকারি কর্মচারীদের সংগথন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। কিন্তু পুলিশের তরফ থেকে মিছিলের অনুমতি না মেলার কারণে আদালতের স্বারস্থ হন সরকারি কর্মচারিরা। DA আন্দোলনকারীদের মিছিলে আপত্তি কেন? রাজ্যকে প্রশ্ন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার।
কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দাবিতে সরব হয়ে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিল সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। ধর্মঘটে যোগ দেওয়ার কারণে একাধিক শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের কলকাতা থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগণার প্রত্যন্ত এলাকায় বদলি করা হল। ধর্মঘটে থাকার কারণে প্রত্যন্ত এলাকায় বদলি নিয়ে এবার সরব হল সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। যদিও নবান্নের তরফে দাবি করা হচ্ছে, সার্ভিস রুল মোতাবেক এই বদলি করা হয়েছে।
বিচারপতি দীনেশ মাহেশ্বরী ও বিচারপতি জেবি পার্ডিওয়ালার বেঞ্চে মামলার শুনানির কথা ছিল। কিন্তু বিশেষ কারণে উপস্থিত থাকছেন না বিচারপতি জেবি পার্ডিওয়ালা। অন্যদিকে, আগে থেকেই বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত সরে দাঁড়ানোর কারণে মামলা পিছিয়ে যায়। শীর্ষ আদালতে চলছে শুনানি, হস্তক্ষেপের পরিধি কম হাইকোর্টের। কী হবে আন্দোলনকারীদের? উঠছে প্রশ্ন।
কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের পর শুক্রবার নবান্নে আন্দোলনকারী সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে বৈঠকে বসে। কিন্তু সেই বৈঠক ইতিবাচক হয়নি। এমনটাই জানিয়ে দিল সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। আন্দোলনকারীদের তরফে জানানো হয়েছে বৈঠকের নিটফল শূন্য। তাই আগামী দিনে আন্দোলনের ঝাঁঝ আরও বাড়বে বলে জানিয়েছেন তাঁরা।