সমস্ত বিতর্কের মাঝেই ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল জুডিশিয়াল সার্ভিসেসে’ কর্মরত সদস্যদের জন্য কেন্দ্রীয় হারে ডিএ-র ঘোষণা করে দিল রাজ্য সরকার। একাংশের জন্য কেন্দ্রীয় হারে ডিএ! ১৩ এপ্রিল এই মর্মে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে বিচারব্যবস্থা দফতর। ১ জানুয়ারি থেকে ৪২ শতাংশ হারে ডিএ দেওয়া হবে। রাজ্য সরকারের তরফে এই ঘোষণা সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আন্দোলনে ঘৃতাহুতি দিয়েছে।
মহার্ঘ ভাতা নিয়ে কর্মচারী সংগঠনের সঙ্গে বৈঠকে বসবে রাজ্য। আগামী ১০ দিনের মধ্যে রাজ্যকে বৈঠক ডাকতে হবে। সোমবার এমনটাই নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ।
সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের অবস্থান সরিয়ে দিতে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হল সেনাবাহিনী। তাঁদের বক্তব্য, আদালতের নির্দেশ মতো ওই জায়গায় অবস্থান কর্মসূচির জন্য নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সময়সীমা অগ্রাহ্য করেই কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন আন্দোলনকারীরা। এখন শহিদ মিনার থেকে সরতে হবে, ডিএ আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে গেল সেনা।
প্রায় ৭০ দিন ধরে শহিদ মিনারের সামনে ধর্না জারি রেখেছেন ডিএ আন্দোলনকারীরা। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে মাত্র ৩ শতাংশ ডিএ ঘোষণা করা হলেও এখনও নমনীয় মনোভাব দেখা যায়নি। তাই ধর্না জারি রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আন্দোলনকারীরা। বৃহস্পতিবার ডিএ আন্দোলনকারীদের নিয়ে বিরাট সিদ্ধান্ত নিল কলকাতা হাইকোর্ট। ডিএ আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠকে বসুক রাজ্য। নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির।
বাম শাসনের দূর্গ রাজ্য থেকে দুরীকরণে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরেছিলেন। এখন সেই শুভেন্দু অধিকারী বিরোধী দলনেতা পদে রয়েছেন। তিনি এখনই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে অপসারণের দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন। বৃহস্পতিবার ডিএ আন্দোলনের মঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রতেই উদ্বুদ্ধ করলেন। জানালেন, আপনারা পথ ছাড়বেন না, আন্দোলন চালিয়ে যান।