ত ৩ দিনে সংক্রমণ কিছুটা কম দিল্লিতে, এই অতিমারীতে সবথেকে বেশি হাহাকার দেশের রাজধানীতে। অক্সিজেন নেই, হাসপাতালে বেড নেই। মৃতদেহ সৎকার করার জায়গা নেই। একাধিক পরিকল্পনার পরেও থামছে না দিল্লির মৃত্যু মিছিল।
কথা শোনেননি BMOH-বিডিও, উলটে বিদ্রুপ করেছেন, ভয় দেখিয়েছেন বাড়িতে পুলিশ পাঠানোর। কথা না শোনায় করা হয়েছে শোকজ। তার পরেই অসুস্থ স্বামী আর কোভিড পজেটিভ ছেলেকে বাড়িতে ফেলে রেখে ভোটের ডিউটি করতে এসেছেন করোনা আক্রান্ত আশাকর্মী।
এই নিয়ে দ্বিতীয় বার! করোনায় আক্রান্ত বাবুল সুপ্রিয়, দৈনিক সংক্রমণ কিছুটা কমতেই আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরছিল মানুষ। তার মধ্যেই দেশে হানা দিয়েছে করবার দ্বিতীয় ঢেউ।
১০ শতাংশ সংক্রমণ হলেই লকডাউন প্রয়োজন বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী লকডাউন নিয়ে কিছু বলেননি এখনও। তবে সরকারি কর্মীদের ডিএ আটকে দেওয়া হয়েছে।