১০ শতাংশ সংক্রমণ হলেই লকডাউন, বার্তা দিলেন AIMS-এর ডিরেক্টর।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ ১০ শতাংশ সংক্রমণ হলেই লকডাউন প্রয়োজন বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী লকডাউন নিয়ে কিছু বলেননি এখনও। তবে সরকারি কর্মীদের ডিএ আটকে দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রের তরফে আগামী ২ মাস ফ্রি রেশনের ঘোষণা করা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই জানিয়েছেন এখনই লকডাউন নয়। বরং বেড বাড়ানোর দিকে জোর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। কারন লকডাউন মানেই বেকারত্ব, কাজ হারানোর ভয়।

আরও পড়ুনঃ সামসেরগঞ্জে সিপিএমের বিরুদ্ধে তৃণমূল সাংসদের ভাইকে প্রার্থী করল কংগ্রেস!

কিন্তু চিকিৎসকরা বলছেন কাজের থেকে প্রাণ বড়। করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ধাক্কা প্রথম ধাক্কার থেকে অনেক বেশি ভয়ঙ্কর। চিকিৎসকদের একাংশের ব্যাখ্যা, এখন লকডাউনই পারে করোনা সংক্রমণের চেন ভাঙতে। রাজ্যবাসী যদি ১০ দিন বাড়ি থেকে একেবারেই না বেরন তাহলে সুবিধা হবে হাসপাতালগুলির। গুছিয়ে নেওয়ার সময় পাবেন তাঁরা। কারন সামনের দিন বড়ই ভয়ঙ্কর।

এদিকে দিল্লির ‘অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস’ (এমস)-এর অধিকর্তা রণদীপ গুলেরিয়া দিয়েছেন খারাপ খবর। আজ তিনি বলেছেন, ‘‘এখনও পর্যন্ত পাওয়া সীমিত তথ্যের ভিত্তিতে আমরা বলতে পারি, ভারতে করোনাভাইরাসের নতুন যে রূপগুলির দেখা মিলেছে সেগুলি আরও বেশি সংক্রামক।’’ দু’টি টিকা নেওয়ার পরেও কোভিড আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানিয়েছেন এমস অধিকর্তা রণদীপ।

১০ শতাংশ সংক্রমণ হলেই লকডাউন দরকার বলে লকডাউনের পক্ষে সওয়াল করেছেন এমসের(AIIMS) ডিরেক্টর। তাঁর কথায়, “যে এলাকায় সংক্রমণের হার ১০ শতাংশের বেশি, সেখানেই লকডাউন করা উচিত।” তাঁর কথায়, “করোনা মোকাবিলায় দ্বিমুখী কৌশল চাই। প্রথমত অবিলম্বে স্বাস্থ্য ব্যাবস্থার উন্নতি করতে হবে। হাসপাতালে বেড, অক্সিজেন এবং অষুধ বাড়াতে হবে। দ্বিতীয়ত, কোভিড আক্টিভ কেস কমাতে হবে। এত আক্টিভ কেস থাকলে চলবে না।”

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত