দৈনিক সংক্রমণের পাশাপাশি বেড়েছে করোনায় মৃতের সংখ্যা। যা ঘিরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন চিকিৎসকরাও। কোভিডবিধি এড়িয়ে চলা এবং বুস্টার ডোজে অনীহাই যে চতুর্থ ঢেউয়ের জন্য দায়ী, তা বারবার জানাচ্ছেন তাঁরা। যদিও আমজনতার হুঁশ ফেরেনি। এখনও অনেকেই বিনা মাস্কে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।
৫ শতাংশের উপরে পজিটিভিটি রেট হলেই সেই জেলায় রেড অ্যালার্ট জারি করতে হবে। প্রযোজনে পূর্ণ লকডাউন করতে হবে। বাংলা এই ৫ শতাংশ পজিটিভিটি রেট ছাড়িয়ে গিয়েছে অনেক আগেই। রাজ্যের পজিটিভিটি রেট আজ ৩০.৮৬ শতাংশ।
তৃতীয় ঢেউয়ে গতকাল পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের হাল স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু আজকের বুলেটিন বলছে অন্য কথা। এদিন শুধু দার্জিলিং জেলাতে আক্রান্ত হয়েছেন ১৯৩ জন। একদিনেই অ্যাকটিভ কেস বেড়েছে ১৩৯ টি!!
কলকাতার পরেই স্থান পেয়েছে উত্তর ২৪ পরগণা। উত্তর ২৪ পরগণা জেলায় আজ আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৩৯১ জন। মৃত্যু হয়েছে ৩ জনের। উত্তর ২৪ পরগণার পর তৃতীয় স্থানে রয়েছে হাওড়া জেলা। আজ এই জেলায় ২ টি মৃত্যু সহ নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ৬৯৮ জন।
মাত্র ৫ দিন আগের কথা। ২৭ ডিসেম্বর ২০২১। ওই দিন রাজ্যের করোনা বুলেটিন জানিয়েছিল ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত হয়েছেন মাত্র ৪৩৯ জন। বর্ষবরণের আগে কোভিডের গ্রাফ স্বস্তি দিয়েছিল চিকিৎসকদের। কিন্তু বর্ষবরণের রাত কাটার আগেই তৃতীয় ঢেউয়ের ইঙ্গিত দেয় মারণ করোনা ভাইরাস।
গতকাল সৃজিত মুখার্জীর করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর থেকেই রীতিমতো হইচই পড়ে গিয়েছে নেট মাধ্যমে। সেখান থেকেই একটি মিম খুজে নিজের অ্যাকাউন্ট থেকে সরাসরি পোস্ট করেন এই চিত্র পরিচালক। সেখানে লেখা "চলে গেলেন সৃজিত মুখার্জী"। তবে এখানেই শেষ নয় তাঁর সাদা-কালো ছবির ঠিক নিচেই লেখা আইসোলেশনে।
একধাক্কায় সুস্থতার হার কমে হয়েছে ৯৭.৯৯ শতাংশ। রাজ্যের সব জেলাতেই উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ। সবথেকে অবস্থা খারাপ কলকাতার। তারপরেই উত্তর ২৪ পরগণা।