ইসরো চেয়ারম্যান সোমনাথ সংবাদসংস্থা, “আমরা ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত কোনও অসুবিধা দেখছি না। তবে একটি সমস্যা হচ্ছে, পৃথিবী থেকে চাঁদের কোথায় অবস্থান করবে সেটা নির্ধারন করার বিষয়ে। এই পরিমাপটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরিমাপ।
এর পর আগামী ১৪ অগস্ট পরবর্তী কক্ষপথ পরিবর্তন করাবে ইসরো। মিশন সফল করতে বার বার পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়েছেন ইসরোর বিজ্ঞানীরা। যাতে কোনও ফাঁকফোকড় থেকে না যায়। সব মিলিয়ে তাই এবার চন্দ্রযান-৩ মিশনের সাফল্য নিয়ে আত্মবিশ্বাসী ইসরো।
সেখানে এটি নানা গবেষণামূলক কাজ করবে। আগামী ২৩ অগাস্ট নাগাদ চাঁদের দক্ষিণ গোলার্ধে অবতরণ করবে ইসরোর এই সাধের যান। জানা গিয়েছে, ২৩ অগাস্ট বিকেল ৫টা ৪৭ মিনিটে চাঁদের পৃষ্ঠে মহাকাশযানটি অবতরণ করবে বলে আশা ইসরোর।
অবশেষে পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে চাঁদের দেশে ঢুকে পড়ল আমাদের চন্দ্রযান। এই কদিন সে ছিল পৃথিবীর কক্ষপথের মধ্যেই। আর মাত্র কয়েকদিনের অপেক্ষা তার পরেই চাঁদের মাটিতে পা রাখবে চন্দ্রযান-৩। তবে এবার কি সত্যি সত্যি নিজের পায়েতেই দাঁড়াতে পারবে প্রজ্ঞান? এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে সাধারন মানুষদের মনে।
পৃথিবীর সঙ্গে সব সম্পর্ক ছিন্ন হল চন্দ্রযান-৩-এর। সফল হল পঞ্চমবারের কক্ষপথ পরিবর্তন। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর তরফে ট্যুইট করে সাফল্যের কথা জানানো হয়েছে। গত ১৪ ই জুলাই শ্রীহরিকোটার সতীশ ধওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে উৎক্ষেপণ করা হয় চন্দ্রযান-৩।
শুক্রবার দুপুর ২টো ৩৫ মিনিটে শ্রীহরিকোটার সতীশ ধওয়ান স্পেস সেন্টারের লঞ্চিং প্যাড থেকে চাঁদের দেশে পাড়ি দিল ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার চন্দ্রযান-৩। সফল হল উৎক্ষেপণ। সব কিছু ঠিক থাকলে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে পৌঁছতে সময় লাগবে ৪০ দিন। চন্দ্রযান-৩ এর ল্যান্ডারের নাম ‘বিক্রম’ এবং রোভারের নাম ‘প্রজ্ঞান’।
আজ, ১৪ই জুলাই ঠিক দুপুর ২টো ৩৫ মিনিটে চাঁদের উদ্দেশ্যে পাড়ি দেবে চন্দ্রযান-৩। আর চন্দ্রযান-৩ নিয়ে আবেগতাড়িত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই মুহূর্তে ফ্রান্স সফরে রয়েছেন মোদী, সেখান থেকেই ট্যুইট করে তিনি জানালেন, স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে আজকের দিন।