ইতিহাস রচনা হয় গত বছর ২৩ অগস্ট! কারণ, প্রথমবারের জন্য চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফলভাবে অবতরণ করেছিল ভারতের চন্দ্রযান-৩। এবার চন্দ্রযানের সাফল্যের কারণে বিশ্ব মহাকাশ পুরস্কার পেতে চলেছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো। চলতি বছর ২৪ অক্টোবর ইতালিতে অনুষ্ঠিত হতে চলা আন্তর্জাতিক মহাকাশচারী কংগ্রেসে ইসরোকে এই পুরস্কার প্রদান করা হবে।
আশা ছিল, একবার চোখ মেলে তাকাবে বিক্রম আর প্রজ্ঞান। ইসরোর বিজ্ঞানীরা প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে গেলেন। কিন্তু হল নাহ্! ঘুম ভাঙল না চন্দ্রযানের দুই বিশ্বস্ত সৈনিকের। বরং আবারও নিকষ কালো রাত নামার সঙ্গে সঙ্গে চিরঘুমের দেশে চলে গেল তাঁরা। বলাই যেতে পারে, বিরাট কোনও মীরাকেল না হলে বিক্রম ও প্রজ্ঞানের পক্ষে আর কোনওদিন সক্রিয় হওয়া সম্ভব নয়।
চন্দ্র ও সূর্যাভিযানের পর এবার ফের একবার মঙ্গলের পথে পাড়ি দেওয়ার পরিকল্পনা। নয় বছর পর ফের মঙ্গল অভিযান। এবার কী কী নিয়ে পরীক্ষা হবে? কী জানাল দেশের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা?
হংকং বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈজ্ঞানিক লি মেন হোইন বলেন, “আগের সমস্ত মহাকাশযানগুলির থেকে এগিয়ে চাঁদের সবচেয়ে দক্ষিণ অক্ষাংশে অবতরণ করেছে ভারতের চন্দ্রযান-৩। এটাকেই সবচেয়ে উচ্চ অক্ষাংশের স্থান হিসেবে তকমা দেওয়া যেতে পারে”।
২১শে সেপ্টেম্বর চাঁদে ফের সূর্য উঠেছে। আর সেদিন থেকেই কিন্তু ল্যান্ডার বিক্রম এবং রোভার প্রজ্ঞানকে জাগাবার চেষ্টায় আছেন ইসরোর বিজ্ঞানীরা। তবে, বিগত ৩ দিন ধরে চেষ্টা করলেও বিক্রম ও প্রজ্ঞানের ঘুম ভাঙেনি। কিন্তু এখনই আশা ছাড়তে নারাজ ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। আগামী ১৪ দিন ধরেই ইসরোর বিজ্ঞানীরা বিক্রম ও প্রজ্ঞানকে সজাগ করার চেষ্টায় লিপ্ত থাকবেন।
আগামী ২২ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার চাঁদে সূর্যোদয় হবে। অর্থাৎ আর মাত্র ৪৮ ঘন্টা পরেই। এই মুহূর্তে চাঁদের বুকে রাত চলছে। গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন ল্যান্ডার বিক্রম এবং রোভার প্রজ্ঞান। কিন্তু, চাঁদে ভোর ফুটলেই কি আবার জেগে উঠবে বিক্রম-প্রজ্ঞান? কী বলছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো? আসুন জেনে নেওয়া যাক!
ভারতে তৈরি প্রথম সৌরযান উৎক্ষেপণের আড়াই সপ্তাহের মধ্যেই পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির মায়া কাটিয়ে সূর্যের দিকে এগোচ্ছে 'আদিত্য এল-১'। ঠিক চার মাস পর পৃথিবী থেকে ১৫ লক্ষ কিলোমিটার দূরে এল-১ পয়েন্টে পৌঁছাবে আদিত্য।