নজরবন্দি ব্যুরো: ভারতের চন্দ্রযান-৩ মিশন গোটা বিশ্বে সাড়া ফেলে দিয়েছে। এই সাফল্যের পিছনে হাত রয়েছে ইসরোর বহু বিজ্ঞানীর। কিন্তু মুন মিশনের সফলতার কয়েকদিনের মধ্যেই...
চাঁদে সেঞ্চুরি করল প্রজ্ঞান! ব্যাপারটা কী? আসলে, ইসরো জানিয়েছে, গুটি গুটি পায়ে চাঁদে ১০০ মিটার দূরত্ব অতিক্রম করেছে রোভার প্রজ্ঞান। আর রোভারের এই কীর্তিকে ট্যুইটের মাধ্যমে দেশবাসীর সঙ্গে ভাগ করে নিতে সময় নেয়নি ভারতীয় গবেষণা সংস্থা।
আগের মাসের ২৩ তারিখে তৃতীয় চন্দ্রমিশন সফল হয়। যার দ্বারা গোটা ভারত ইতিহাস রচনা করেছিল। এই কদিন ছোট্ট রোভার গুটি গুটি পায়ে চাঁদে ঘুরে বেড়িয়ে পরিক্ষা পর্যবেক্ষণ করছিলেন। তবে আর মাত্র এক সপ্তাহ! ঘ্রই চন্দ্রযান-3 মিশন শেষ হতে চলেছে।
পৃথিবীর মাটি যে কেঁপে ওঠে তা আমরা সকলেই জানি। তাই বলে চাঁদের মাটিও কাঁপে? মানে, ভূমিকম্প হয়? এর উত্তর কিন্তু জানা ছিল না অনেকেরই। এবার ভারতীয় চন্দ্রযানের প্রজ্ঞান কিন্তু সাফ জানিয়ে দিল, হ্যাঁ, চাঁদেও ভূমিকম্প হয়! প্রজ্ঞানের পোলেডে ধরা পড়েছে কম্পন। আর সেই তথ্য সকলের সাথে ভাগ করে নিয়েছে ইসরো।
বুকে করে আগলে একজন প্রকৃত ‘দাদা’র মতো ‘ভাই’ প্রজ্ঞানকে মামাবাড়িতে পোঁছে দিয়েছে বিক্রম। আর সেখানে গিয়ে দাদাকে কিছু উপহার না দিলে হয়! চাঁদের বুকে বিক্রমের ‘তুখোড়’ ছবি তুলে গোটা দেশের মন জিতে নিল প্রজ্ঞান। ইসরো প্রকাশ করেছে সেই ছবি। ধূ ধূ কালো মহাকাশে ধূসর উপত্যকার মাঝে একা দাঁড়িয়ে বিক্রম।
এক সপ্তাহ হয়ে গিয়েছে চাঁদের দেশেই রয়েছে রোভার প্রজ্ঞান। চক্ষিণ মেরুতে বিভিন্ন রকম অনুসন্ধান চালাচ্ছে সে। আর প্রথম পরীক্ষাই সফল। চাঁদের মাটিতে সালফার অক্সিজেন সহ একাধিক খনিজের সন্ধান পেল প্রজ্ঞান। এই বিষয়ে ট্যুইট করেছে ইসরো।
ইসরোর বিজ্ঞানীদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ সব মহল। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে তাঁদের সাক্ষাৎকার দেখা যাচ্ছে। এরইমাঝে খোঁজ পাওয়া গেল এক ভুয়ো বিজ্ঞানীর। যিনি নিজেকে 'মুন মিশন'-এর সঙ্গে যুক্ত বলে দাবি করেছেন। ওই ব্যক্তিকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ।