নজরবন্দি ব্যুরো: ভারতের চন্দ্রযান-৩ মিশন গোটা বিশ্বে সাড়া ফেলে দিয়েছে। এই সাফল্যের পিছনে হাত রয়েছে ইসরোর বহু বিজ্ঞানীর। কিন্তু মুন মিশনের সফলতার কয়েকদিনের মধ্যেই ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থায় নেমে এল শোকের ছায়া। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত এক বিজ্ঞানী। চন্দ্রযান-৩ মিশনে তাঁর ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য।
আরও পড়ুন: জি ২০ সম্মেলনে জিনপিং এর না আসা নিয়ে মুখ খুললেন অসন্তুষ্ট মার্কিন প্রেসিডেন্ট


জানা গিয়েছে, গত শনিবার (২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় চেন্নাইয়ে প্রয়াত হন এন ভালারামথি। পেশায় তিনি ইসরোর একজন বিজ্ঞানী। ম্যাসিভ হার্টঅ্যাটাকে চিরঘুমের দেশে ঢলে পড়েন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৪ বছর। ভালারামথির মৃত্যুতে শোকজ্ঞাপন করে প্রাক্তন ইসরো (ISRO) ডিরেক্টর ডক্টর পিভি ভেঙ্কিটকৃষ্ণান টুইটারে লেখেন, “শ্রীহরিকোটা থেকে ISRO-এর ভবিষ্যত মিশনের কাউন্টডাউনের গণনার জন্য ভালরমাথি ম্যাডামের কণ্ঠস্বর আর থাকবে না। চন্দ্রযান ৩ ছিল তাঁর চূড়ান্ত কাউন্টডাউন ঘোষণা। একটি অপ্রত্যাশিত মৃত্যু। খুব খারাপ লাগছে। প্রণাম!”

গত ১৪ জুলাই চন্দ্রযান-৩-এর উৎক্ষেপণের দিনে শ্রীহরিকোটার কমান্ড সেন্টার থেকে শেষের কাউন্টডাউন করেছিলেন ভালারামথি। “আমরা এগোচ্ছি সেই মুহূর্তের দিকে ৫.৪..৩..২..১..০..” তাঁর বলা শেষ হতেই চাঁদের উদ্দেশ্যে পাড়ি দিয়েছিল চন্দ্রযান। গত ২৩ আগস্ট চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফল অবতরণ করে বিক্রম ল্যান্ডার। বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ভারত চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে পা রেখেছে। তবে কেবল চন্দ্রজান-৩ নয়, এর আগেও নিয়মিত ইসরোর বিভিন্ন লঞ্চের আগে ফাইনাল কাউন্টডাউন করতেন তিনি।



১৯৫৯ সালের ৩১ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন এন ভালারমাথি। ১৯৮৪ সালে যোগ দিয়েছিলেন ইসরোতে। রিস্যাট ১ (RISAT-1) প্রকল্পের ডিরেক্টরও ছিলেন তিনি। ২০১২ সালে সেই স্যাটেলাইটটিকে সাফল্যের সঙ্গে মহাকাশে পাঠানো হয়েছিল। এটা দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি প্রথম রেডার ইমেজিং স্যাটেলাইট (RIS) ছিল। ২০১৫ সালে তামিলনাড়ু সরকার তাঁকে আবদুল কালাম পুরস্কারে ভূষিত করেছিল।
হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত ইসরোর বিজ্ঞানী, তাঁর কাউন্টডাউনেই চাঁদে রওনা চন্দ্রযানের








