একদিকে যখন কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে বাংলাকে বঞ্চনার অভিযোগ তুলে দিল্লিতে প্রতিবাদ জানাচ্ছে তৃণমূল ঠিক তখন আবার বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার অভিযোগ করছেন, কেন্দ্র থেকে বরাদ্দ টাকা খরচ করতে ব্যর্থ রাজ্য সরকার। রবিবার সামাজিক মাধ্যমে একটি ছবি পোস্ট করে বিগত ৩-৪ বছরে কত পরিমাণ টাকা বাংলাকে দিয়েছে মোদী সরকার তা তুলে ধরেছেন বালুরঘাটের সাংসদ।
দু’মাসে মাত্র দু’টো বৈঠক করেছে ‘ইন্ডিয়া’ জোট আর তাতেই গ্যাসের দাম এক ধাক্কায় গেল ২০০ টাকা, এটাই হল বিরোধী জোটের ‘দম’। কেন্দ্র সরকারের গ্যাসের দাম কমানোর সিদ্ধান্তের পর এটাই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিক্রিয়া। একটি ট্যুইট (বর্তমান এক্স) করে মঙ্গলবার গ্যাসের দাম কমা নিয়ে নিজের অভিমত প্রকাশ করলেন তৃণমূলনেত্রী।
কেন্দ্রীয় প্রকল্পে বঞ্চনার অভিযোগে রাজ্যজুড়ে প্রতিটা ব্লকে ব্লকে আজ অবস্থান বিক্ষোভ প্রদর্শন করছে তৃণমূল। সকাল বারোটা থেকে বিকেল চারটে পর্যন্ত এই কর্মসূচি চলবে। বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন ফিরহাদ হাকিম, অর্জুন সিংহ, তাপস রায়ের মতো তৃণমূলের প্রথম সারির নেতারা। বিভিন্ন জেলায় মঞ্চ খাটিয়ে প্ল্যাকার্ড তৈরি করে প্রতিবাদে বসেছেন তৃণমূল নেতারা।
কেন্দ্রের বরাদ্দ নিয়ে এবার রাজ্যের অভিযোগ খারিজ করলেন কেন্দ্রের নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। তাঁর বক্তব্য, কেন্দ্র টাকা পাঠালেও খরচ করে না রাজ্য। একাধিক তথ্য তুলে ধরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, কিছু বলার আগে নিজেদের কাগজ পরীক্ষা করে দেখে নিক তৃণমূলের নেতারা। একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী যে দুর্নীতির দায় এড়িয়ে যেতে পারবেন না।
১২০ মাসেই টাকা ডাবলের দারুণ সুযোগ এনে দিয়েছে পোস্ট অফিস। আগে ১২৩ মাসের জন্য ডিসেম্বর ত্রৈমাসিকে সুদের হার ছিল ৭ শতাংশ। এখন সেটা বেড়ে হয়েছে ৭.২ শতাংশ। যদিও পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড বা পিপিএফ এবং সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনার ক্ষেত্রে সুদের হার বাড়ানো হয়নি।
করোনা অতিমারির পর বাজার মূল্য যে হারে বেড়েছে সেই ভোগান্তির হাত থেকে এখনও রেহাই মেলেনি বঙ্গবাসীর। আর তারমধ্যেই সব থেকে বেশি সমস্যার সৃষ্টি করেছে বেকারত্ব। এর মধ্যেই কিছুটা খুশির খবর রইল কেন্দ্রীয় কর্মিদের জন্যে। আগামী বাজেট প্রস্তাবে সপ্তম বেতন কমিশনের সুপারিশ মেনে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের ন্যূনতম মূল বেতন বাড়ানোর ঘোষণা হতে পারে সংসদে।
জন্মের শংসাপত্র নিয়ে এবার আরও কড়াকড়ির পথে কেন্দ্র। এবার স্কুল ভর্তি থেকে সরকারি চাকরিতে যোগদান সব কিছুতেই এবার লাগবে জন্মের শংসাপত্র। জানা গেছে, ১৯৬৯ সালের জন্ম রেজিস্ট্রেশন আইনে সংশোধনীয় আনার কথা নিয়ে সাংসদে ভাবছে কেন্দ্র।