নজরবন্দি ব্যুরো: কেন্দ্রীয় প্রকল্পে বঞ্চনার অভিযোগে রাজ্যজুড়ে প্রতিটা ব্লকে ব্লকে আজ অবস্থান বিক্ষোভ প্রদর্শন করছে তৃণমূল। সকাল বারোটা থেকে বিকেল চারটে পর্যন্ত এই কর্মসূচি চলবে। বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন ফিরহাদ হাকিম, অর্জুন সিংহ, তাপস রায়ের মতো তৃণমূলের প্রথম সারির নেতারা। বিভিন্ন জেলায় মঞ্চ খাটিয়ে প্ল্যাকার্ড তৈরি করে প্রতিবাদে বসেছেন তৃণমূল নেতারা।
আরও পড়ুন: দেশজুড়ে রেল স্টেশন সংস্কারের সূচনা মোদীর, তালিকায় বাংলার কোন কোন স্টেশন?
একুশে জুলাইয়ের শহিদ মঞ্চ থেকে তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কম্যান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় প্রকল্পে বঞ্চনার অভিযোগ তুলে ব্লকে ব্লকে বিজেপি নেতাদের বাড়ি ঘেরাওয়ের ডাক দিয়েছিলেন। কারণ, কেন্দ্রে এখন বিজেপি সরকার ক্ষমতায় রয়েছে। তবে, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে বাড়ি ঘেরাও কর্মসূচি বাতিল হলেও আজ রাজ্যের প্রায় প্রতিটি ব্লকেই অবস্থান বিক্ষোভে অংশ নিলেন শাসক দলের কর্মী সমর্থকেরা।

মূলত, ১০০ দিনের প্রকল্প বাংলায় বন্ধ করার প্রতিবাদে বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে এই বিক্ষোভ। কামারহাটিতে মদন মিত্র বসেছেন অবস্থান বিক্ষোভে, ডানলপে সামিল হলেন বরানগরের বিধায়ক তাপস রায়। সাড়ে ১২টা থেকেই রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম অহীন্দ্র মঞ্চের সামনে ধর্নায় বসেছেন। ট্রাঙ্গুলার পার্কে রয়েছেন বিধায়ক দেবাশিস কুমার, টালিগঞ্জে পথে নেমেছেন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। শ্যামপুকুরে নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে ধর্নায় বসেছেন মন্ত্রী শশী পাঁজাও।

পাশাপাশি, তৃণমূল নেতা ফিরহাদ হাকিম অভিযোগ করেন, রাজ্যের পাওনা প্রায় ১ লক্ষ কোটি টাকা কেন্দ্র দিচ্ছে না। তৃণমূলের অবস্থান বিক্ষোভ নিয়ে পাল্টা বিজেপি বিধায়ক তথা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী কটাক্ষ করে বলেন, এটা চোরেদের বিক্ষোভ!

কয়েক দিন আগেই আজকের বিক্ষোভ প্রসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “৬ অগস্ট রাজ্যর প্রতিটা ব্লক, হেড কোয়ার্টারে কেন্দ্রীয় সন্ত্রাস, কেন্দ্রীয় বঞ্চনা, সাধারণ মানুষ, সংখ্যালঘু, আদিবাসীদের ওপর অত্যাচারের প্রতিবাদে, দাঙ্গাবাজদের বিরুদ্ধে তৃণমূল কংগ্রেস বেলা ১২-৪ টে অবধি ধরনা করবে প্রতিটা ব্লকে ব্লকে। শহরতলিতে প্রত্যেকটা ওয়ার্ডে মিটিং মিছিল হবে”।
প্রত্যাশামতোই রাজ্যজুড়ে অবস্থান বিক্ষোভ তৃণমূলের, ধর্নায় হেভিওয়েট নেতারা!




