২২ তারিখেই এই মিছিল নিয়ে আপত্তি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর। মুখ্যমন্ত্রীর ডাকা সংহতি মিছিল পিছিয়ে দেওয়ার আর্জি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। পাশাপাশি আরও কিছু দাবি জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা।
বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় মনে করেন, এটি জনস্বার্থ মামলা হিসাবে গন্য করা উচিত এবং প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চেই এই মামলার শুনানি হওয়া উচিত। এই জন্যই তিনি এই মামলাটি ছেড়ে দিলেন।
“আমাদের বিচারালয়ে যেতে হবে কেন? চাকরির বিজ্ঞপ্তি কি বিচারালয় দিয়েছিল? নিয়োগপত্র কি বিচারালয় দেবে? সেখানে দোষ-নির্দোষ প্রমাণ হয়। নোটিফিকেশন দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। দুর্নীতি হয়েছে আর তার পেনাল্টি আমরা সাধারণ চাকরিপ্রার্থীরা দেব কেন?”