রাজ্য ডিভিশন বেঞ্চে গেলে ধাক্কায় খায় নওশাদরা। প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, ভিক্টোরিয়া হাউজের সামনে সভা করতে পারবে না তাঁরা। হাইকোর্টের নির্দেশের পর কী প্রতিক্রিয়া ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকির
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন, সমস্ত জটিলতা কাটিয়ে ধূপগুড়ি মহকুমা হয়েছে। এই খবর প্রকাশ্যে আসার পরই খুশির জোয়ার ওই এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে। একথা নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন অভিষেক। তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীরাও সাধুবাদ জানিয়েছেন দলের সেকেন্ড ইন কমান্ডকে।
গত বছর রানি রাসমণি রোডে আইএসএফের যে সভা হয়েছিল, সেখানে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। আইন শৃঙ্খলার অবনতির আশঙ্কা দেখিয়ে সভার অনুমতি দেয়নি পুলিশ। অনুমতি না পেলে এরপর কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta high Court) মামলা করে নওশাদের দল।
ভিক্টোরিয়া হাউস-এর সামনে আইএসএফের সভাকে কেন্দ্র করে টালবাহানা কম হয়নি। প্রথমে পুলিশের তরফে বাধা দেওয়া হলে আদালতের দ্বারস্থ হয় আইএসএফ। কিন্তু সেখানেও ছিল গেরো! প্রথমে আদালতের তরফে নওশাদের দলকে সভা করার অনুমতি দেওয়া হয়নি। কেন? আদালতের যুক্তি ছিল, গত বছর এরকমই রানী রাসমণি রোডে আইএসএফকে সভা করার অনুমতি দেওয়া হয়, কিন্তু সভার দিন পরিস্থিতি খুবই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশের সঙ্গে কার্যত হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন আইএসএফ কর্মী সমর্থকরা।
ধূপগুড়িকে পৃথক মহকুমা ঘোষণার দাবি দীর্ঘদিনের। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Election 2021) প্রচারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই আশ্বাস দিয়েছিলেন। একই দাবি ওঠে। এমনকী নির্বাচনী ইস্তেহারে ধূপগুড়িকে মহকুমা করার বিষয় উল্লেখ করা হয়েছিল। অবশেষে সেই জট মিটল।
সংহতি মিছিল পিছিয়ে দেওয়ার আর্জি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার সেই মামলার শুনানিতে শুভেন্দুর আর্জি খারিজ করে সংহতি মিছিলে অনুমতি দেয় প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।