আগামী ২১ জানুয়ারি দলের তৃতীয় প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষ্যে ভিক্টোরিয়া হাউজের সামনে সভা করার অনুমতি চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল আইএসএফ। সিঙ্গেল বেঞ্চের অনুমতি পাওয়া গিয়েছিল। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে রাজ্য ডিভিশন বেঞ্চে গেলে ধাক্কা খায় নওশাদরা। প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, ভিক্টোরিয়া হাউজের সামনে সভা করতে পারবে না তাঁরা। হাইকোর্টের নির্দেশের পর কী প্রতিক্রিয়া ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকির (ISF MLA Nawshad Siddiqui)?

আরও পড়ুন: ২২ জানুয়ারি রামমন্দিরে প্রাণ প্রতিষ্ঠা, রাজ্যে ছুটি ঘোষণার দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি সুকান্তর
কলকাতা হাইকোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে আইএসএফের (ISF) সভা হবে। দুপুর আড়াইটে থেকে সাড়ে চারটে পর্যন্ত সভা হবে। হাইকোর্টের অর্ডার কপি হাতে না পাওয়া পর্যন্ত এনিয়ে বেশি মন্তব্য করতে চাননি নওশাদ সিদ্দিকি। তবে তিনি বলেন, “আমরাও ভবিষ্যতে যাতে ওখানে সভা করতে পারি তার প্রস্তুতি নিচ্ছি। শাসক দল ঠিক করেছে আমাদের সভা করতে দেবে না। তাই ম্যারাথন, ভিনটেজ কার র্যালির কথা বলছে। হাইকোর্টের সিদ্ধান্তের মান্যতা দেব। আমাদের প্ল্যান বি রেডি করা আছে। আদালতের রায়ের কপি আসার পর চূড়ান্ত জানাব।”

২১ তারিখ ধর্মতলার ভিক্টোরিয়া হাউজের (Victoria House) সামনে সভার অনুমতি পুলিশের কাছ না পেয়ে হাইকোর্টে মামলা করে আইএসএফ। বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের সিঙ্গেল বেঞ্চ শর্তসাপেক্ষে অনুমতি দেয়। শর্তগুলি হল, এক, সভার মঞ্চ দৈর্ঘ্যে বা প্রস্থে ২০ ফুটের বেশি করা যাবে না। দুই, দুপুর আড়াইটে থেকে বিকেল সাড়ে ৪ টের মধ্যে সভা শেষ করতে হবে। তিন, এক হাজারের বেশি মানুষ জমায়েত করা যাবে না।
ভিক্টোরিয়া হাউজের সামনে করা যাবে না সভা, ‘প্ল্যান বি রেডি’, কী বললেন নওশাদ?

সিঙ্গেল বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে যায় রাজ্য। প্রশ্ন তোলে, ২১ তারিখ পাঁচটি কর্মসূচি রয়েছে। কীভাবে ওই সভার অনুমতি দেওয়া সম্ভব? পাশাপাশি, একইদিনে এতগুলি কর্মসূচি পুলিশের পরিচালনা করতে সমস্যা হবে বলেও দাবি করে রাজ্য। এরপর প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ সিঙ্গেল বেঞ্চের শর্ত বহাল রেখে নির্দেশ খারিজ করেন।



