রেশন দুর্নীতি মামলায় সন্দেশখালিতে তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। সেখানে ঘটে যায় রক্তারক্তি কাণ্ড। তৃণমূল নেতার অনুগামীদের হাতে আক্রান্ত হয় ইডি আধিকারিকরা। এই ঘটনায় তোলপাড় হয় রাজ্য-রাজনীতি। আদালতে পাল্টা মামলা করে কেন্দ্রীয় সংস্থা। এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন ‘নিখোঁজ’ শেখ শাহজাহান (TMC Leader Sheikh Shahjahan)।

আরও পড়ুন: রেশন দুর্নীতির কিনারা করতে তৎপর ED, শঙ্করের লেনদেন জানতে ৪ জায়গায় হানা
সন্দেশখালির ঘটনায় (Sandeshkhali Case) আক্রান্ত ইডির বিরুদ্ধেই মামলা করে পুলিশ। এদিকে ইডি সিবিআই তদন্তের দাবি করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়। সোমবার সেই মামলার শুনানি শুরু হয় বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর এজলাসে। শেখ শাহজাহানের আইনজীবী বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করে আবেদন জানান, তাঁর মক্কেলকে মামলায় যুক্ত করতে। বিচারপতি সেনগুপ্ত পাল্টা ভর্ৎসনা করে প্রশ্ন তোলেন, ‘শেখ শাহজাহান কেন এখনও আত্মসমর্পণ করেনি?’

পাল্টা আইনজীবী দাবি করেন, তাঁর মক্কেলের অধিকার ক্ষুণ্ণ হয়েছে। ইডির অভিযান নিয়ম মেনে হয়নি। পাশাপাশি সিবিআইয়ের আইনজীবী ওকালতনামা জমা দেওয়ার কথা বলেন। মঙ্গলবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি।
হাইকোর্টের দ্বারস্থ ‘নিখোঁজ’ শাহজাহান, পাল্টা ভর্ৎসনা বিচারপতির

গত জানুয়ারি সন্দেশখালিতে তৃণমূল নেতা শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশি চালাতে গিয়ে আক্রান্ত হয় ইডি। শ্লীলতাহানি ও চুরির অভিযোগ আনে ইডি। সন্দেশখালির ঘটনায় সিবিআই তদন্ত চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) মামলা করে তদন্তকারী সংস্থা। এই ঘটনায় শাসক দলের বিরুদ্ধে আঙুল তুলেছে বিরোধীরা। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এনআইএ তদন্তের দাবি করেছেন। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি তথা বহরমপুর সাংসদ অধীর চৌধুরী (Adhir Chowdhury) রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি করেছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) এনিয়ে বলেছিলেন, ‘তদন্ত চলছে, কোনও মন্তব্য করব না।’



