রেশন দুর্নীতি মামলায় বনগাঁর প্রাক্তন পুরপ্রধান শঙ্কর আঢ্যকে গ্রেফতার করেছে ইডি। গ্রেফতারির পরই তাঁর বিপুল সম্পত্তির হদিশ পেয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। সোমবার সপ্তাহের প্রথম দিনই দুর্নীতির তদন্তে শহরের একাধিক জায়গায় হানা দিয়েছে ইডি (ED raids at four places in Kolkata)। শঙ্কর আঢ্যর আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত নথি খুঁজতে এই তল্লাশি অভিযান।

আরও পড়ুন: লক্ষ্য বাংলায় অবাধ নির্বাচন, লোকসভার নির্ঘণ্ট প্রকাশের আগেই কাজ শুরু কমিশনের
জানা গিয়েছে, এদিন সকালে ইডির একাধিক দল সিজিও কমপ্লেক্স (CGO Complex) থেকে রেশন দুর্নীতির তদন্তের জন্য তল্লাশির উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। ধর্মতলার চৌরঙ্গী লেন, তালতলা, কলিন স্ট্রীট, সল্টলেকের সেক্টর ফাইভে শঙ্কর আঢ্যর চাটার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টের অফিসে যায়। সেখানে বিভিন্ন নথি ঘেঁটে তাঁর লেনদেন সম্পর্কে জানতে চায় তদন্তকারী আধিকারিকরা। জানা গিয়েছে, ১১এ, চৌরঙ্গী লেনে ‘এসআর আঢ্য ফিন্যান্স প্রাইভেট লিমিটেড’ নামে একটি সংস্থা রয়েছে যেটি ধৃতের সংস্থা বলেই মনে করা হচ্ছে। এছাড়াও কলিন স্ট্রীটে একটি অফিস ও সল্টলেক সেক্টর ফাইভে শঙ্কর আঢ্যর হিসেবরক্ষকের অফিস রয়েছে। এই জায়গাগুলিতেও এদিন হানা দিয়েছে ইডি।

গত সপ্তাহে বনগাঁর প্রাক্তন পুরপ্রধান শঙ্কর আঢ্যকে (Shankar Adhya) গ্রেফতার করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাঁকে গ্রেফতার করতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছে তদন্তকারী আধিকারিকরা। সকালে সন্দেশখালি, রাতে বনগাঁ, একইদিনে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে আক্রান্ত হয়েছে ইডি। তাঁকে গ্রেফতারের পর ইডি জানিয়েছিল, শঙ্কর আঢ্য ও তাঁর আত্মীয়দের নামে থাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলি থেকে কমপক্ষে ২০ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে। তার মধ্যে রেশন দুর্নীতির কালো টাকা রয়েছে ১০ হাজার কোটি টাকা।
রেশন দুর্নীতির কিনারা করতে তৎপর ED, শঙ্করের লেনদেন জানতে ৪ জায়গায় হানা

উল্লেখ্য, গতকাল (১৪ জানুয়ারি) শঙ্কর আঢ্যর শিয়ালদহের রেল হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। সেইসময় সাংবাদিকদের সামনে তিনি বলেন, ‘এরম অনেক টাকা আমাদের কারবারে থাকে। এই টাকার সঙ্গে দলের কোনও যোগ নেই।’



