সন্দেশখালির বাদশাকে ধরতে নজরদারি ক্যামেরা, হাইকোর্টের ভৎসনায় মিলল ফল!

প্রথমে শাহজাহান অন্তরাল থেকেই এই মামলার সঙ্গে যুক্ত হতে চান। পরবর্তী ক্ষেত্রে যখন জানা যায় তিনি মামলায় যুক্ত হলে তাঁকে ওকালত নামায় সই করতে হবে তখনই মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে নেন তিনি।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টে তিরস্কারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সন্দেশখালির বাদশার বাড়িতে বসল নজরদারি ক্যামেরা। রেশন দুর্নীতি মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান এখনও নিখোঁজ। তাঁকে ধরতে অবশেষে বসল সিসি ক্যামেরা। মোট তিনটি সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। গতকাল শাহজাহানকে গ্রেফতার করতে না পারায় বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত এই নেতার বাড়িতে সিসি ক্যামেরা বসানোর নির্দেশ দেন।

সন্দেশখালির বাদশাকে ধরতে নজরদারি ক্যামেরা, হাইকোর্টের ভৎসনায় মিলল ফল!

আরও পড়ুন : মুখ্যমন্ত্রীর শাড়ি নিয়ে প্রশ্ন করলেন সুকান্ত মজুমদার

আদালত কড়া হতেই ঘটল ভোলবদল। প্রথমে শাহজাহান অন্তরাল থেকেই এই মামলার সঙ্গে যুক্ত হতে চান। পরবর্তী ক্ষেত্রে যখন জানা যায় তিনি মামলায় যুক্ত হলে তাঁকে ওকালত নামায় সই করতে হবে তখনই মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে নেন তিনি।বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত বলেন, “যত দ্রুত সম্ভব ক্যামেরা বসাতে হবে। আর এর সমস্ত ফুটেজ সংরক্ষণ করতে হবে পুলিশকে।”

সন্দেশখালির বাদশাকে ধরতে নজরদারি ক্যামেরা, হাইকোর্টের ভৎসনায় মিলল ফল!

বুধবার সকালে দেখতে পাওয়া যায়, তাঁর আকুঞ্জি পাড়ার মোড়ে বাড়ির সামনে সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। তাঁর বাড়ির লাগোয়া গ্যারাজে বসানো হয়েছে মনিটর। তবে এখনও সংযোগ তৈরি হয়নি। উপস্থিত সিভিক ভলান্টিয়র জানান, শাহজাহানের বাড়ির বাইরে ও পিছনে বসানো হয়েছে ক্যামেরা। প্রসঙ্গত, গত জানুয়ারি সন্দেশখালিতে তৃণমূল নেতা শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশি চালাতে গিয়ে আক্রান্ত হয় ইডি। শ্লীলতাহানি ও চুরির অভিযোগ আনে ইডি।

সন্দেশখালির বাদশাকে ধরতে নজরদারি ক্যামেরা, হাইকোর্টের ভৎসনায় মিলল ফল!
সন্দেশখালির বাদশাকে ধরতে নজরদারি ক্যামেরা, হাইকোর্টের ভৎসনায় মিলল ফল!

সন্দেশখালির বাদশাকে ধরতে নজরদারি ক্যামেরা, হাইকোর্টের ভৎসনায় মিলল ফল!

সন্দেশখালির ঘটনায় সিবিআই তদন্ত চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করে তদন্তকারী সংস্থা। এই ঘটনায় শাসক দলের বিরুদ্ধে আঙুল তুলেছে বিরোধীরা। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এনআইএ তদন্তের দাবি করেছেন। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি তথা বহরমপুর সাংসদ অধীর চৌধুরী রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি করেছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এনিয়ে বলেছিলেন, ‘তদন্ত চলছে, কোনও মন্তব্য করব না।’

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত