মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আয়ের উৎস নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। মুখ্যমন্ত্রীর ফোন থেকে শুরু করে তিনি যে শাড়ি পরেন তার টাকা কোথা থেকে আসে সেই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপি নেতা। এই মন্তব্যের পাল্টা তাঁকে আক্রমণ করেছেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। ব্যক্তিগত আক্রমণ করা উচিত নয় বলেছেন সিপিএম নেতা মহম্মদ সেলিম।



আরও পড়ুন : ফের বাংলো ছাড়ার নোটিশ মহুয়াকে, এবার কি উচ্ছেদের জন্য পাঠানো হবে আধিকারিক?
মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে সুকান্ত মজুমদার প্রশ্ন করেন,“ওনার হাতে যে অ্যাপেল ফোন রয়েছে সেটি কোথা থেকে কিনেছেন? উনি যদি ভাতা না নেন, তাহলে বিনা পয়সায় কেউ দিয়েছে। আর এখনকার দিনে ফ্রিতে কেউ জিনিস দিলে সে নিশ্চয় ধান্দা ছাড়া দেবে না।” এখানেই শেষ নয়। সুকান্ত মজুমদার আরও বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ডিজাইন করা শাড়ি পরেন। আমি চ্যালেঞ্জ করছি, ওই শাড়ি বাংলার বাজারে মিলবে না।”

এত টাকা আসে কোথা থেকে? এই মন্তব্যের পরই শুরু হয় রাজনৈতিক বিতর্ক। পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেছেন, “মোদীজী ১০ লক্ষ টাকার স্যুট কার টাকায় পরেন? সততার প্রতীক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে বাংলার মানুষ তিনবার নির্বাচিত করেছে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে। আর এখন সুকান্ত মজুমদার সার্টিফিকেট দেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে?”



মুখ্যমন্ত্রীর শাড়ি নিয়ে প্রশ্ন করলেন সুকান্ত মজুমদার
সুকান্তর মন্তব্যের কটাক্ষ করে সিপিএম নেতা মহম্মদ সেলিম বলেছেন, “বিজেপি নেতাদের এই সব বলার কোনও অধিকারই নেই। কে কী শাড়ি পরে, কোনও গাড়িতে চড়ে এই সব প্রশ্ন করা উচিত নয়। এখানে রাজনীতি, সমাজনীতি, অর্থনীতি জড়িত। সেই কারণে আমরা ব্যক্তিগত বিষয় সামনে আনি না। আনা উচিৎ নয়। আর সুকান্তর এটুকু জানা উচিৎ মহিলাদের পোশাক নিয়ে মন্তব্য করতে নেই।” প্রসঙ্গত, গত ২০২৩ সালে নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী দেশের সবথেকে গরীব মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার ঘোষিত সম্পত্তির পরিমাণ ১৫ লক্ষ টাকা।







