সামনেই বড়দিন আর বড়দিন মানেই কেক। কেক ছাড়া বড়দিন কেমন যেন একটা অসম্পূর্ণ লাগে। শুধু বড়দিন বলে নয় যেকোন অকেশনেই কিন্তু কেকের জুড়ি মেরা ভার। কিন্তু সব সময় বাজার থেকে কেক কেন কিনে আনবেন? বাজারের কেক যেমন অধিক দাম হয় তেমনভাবেই স্বাস্থ্যের জন্য খুব একটা ভালো হয় না। কারণ এতে থাকে অধিক পরিমাণে ক্রিম ছাড়াও অন্যান্য ক্ষতিকর উপাদান। তাই অনেকেই বাড়িতে কেক বানিয়ে খান। বাড়িতে বানানো কেক ও কিন্তু দোকানে বানানো কেকের মতোই সুস্বাদু হয়। অনেকেই ভাবেন ওভেন ছাড়া হয়তো কেক বানানোর সম্ভব নয়। কিন্তু ওভেন ছাড়াও সঠিক পদ্ধতি অবলম্বন করে সুস্বাদু কেক বানানো খুব সহজ কাজ। আজকের প্রতিবেদনে আপনারা জানতে পারবেন কি করে ওভেন ব্যবহার না করেই সুস্বাদু মজাদার নরম ও স্বাস্থ্যকর কেক বানানো সম্ভব।
প্রতি বছর বড়দিন পালন করেন কেক খেয়ে? কিন্তু এই বছর একটু অন্যরকম ট্রাই করলে কেমন হয়? এই বছর কেকের পরিবর্তে বড়দিন পালন করতে পারেন কুমড়ো পাই দিয়ে। এই কুমড়ো পাইয়ের স্বাদ কিন্তু কেকের তুলনায় আরো বেশি আকর্ষণীয় হয়। জেনে নিন কি করে বানাবেন কুমড়ো পাই। দেখুন রেসিপি।
আজ রাখি বলে কথা। আজকের দিনে নিজের দাদা বা ভাইকে কিছু রান্না করে না খাওয়ালে হয় নাকি। তবে এখনকার ব্যস্ততার দিনে সব দিদি বোন রাও ব্যস্ত। কেউ ছোটে কলেজে বা কেউ অফিসে। তাই এমন কিছু রান্না করা যেতেই পারে যেটি চটজলদি হয়ে যায়। জেনে নিন সেরকম কয়েক ধরনের রান্নার পদ্ধতি।
বিকেলের জলখাবার হোক কিংবা সকালের ব্রেকফাস্ট প্যানকেকের জুড়ি মেলা ভার। প্যানকেক খেতে যেমন সুন্দর। তেমনই পুষ্টিকর। তবে অনেকেই ভাবেন প্যানকেক বানাতে হয়ত অনেক ঝুক্কি পোহাতে হয়। কিন্তু তা একেবারেই নয়। মাত্র কয়েকটি উপকরন দিয়েই এবং একটি মাত্র ডিম দিয়েই প্যানকেক বানানো সম্ভব। দেখে নেন সেই রেসিপি।
অনেক সময় দুধ জাল দিয়ে রাখলে কিংবা ফ্রিজে রাখলেও কেটে যায়। সেই দুধু দিয়ে ছানা বানিয়ে নেওয়া যায় অবশ্যই কিন্তু স্বাদ বদল করতে মিল্ক কেকও বানিয়ে ফেলতে পারেন। কিংবা অনেকের দুধের গন্ধ সহ্য হয়না কিংবা দুধ খেতে পছন্দ করেন না। তাই অনাহাসে বানিয়ে ফেলতে পারেন এই মিল্ক কেক।
এখনও শেষ হয়নি আমের মৌসুম। বাজারে গেলে এখনও দেখা মেলে পাকা আমের। তাই এই সময় নষ্ট না করে বানিয়ে নিন পাকা আমের কেক। এটি খেলে বা খাওয়ালে মন ভরে যেতে বাধ্য। এই নরম তুলতুলে কেক যাকেই দেবেন সেই মুগ্ধ হয়ে যাবে। তবে চলুন আর দেরি না করে বানিয়ে নিন কেক।
কলা বারো মাসই পাওয়া যায়। আর এই কলা দিয়ে আমরা সাধারণত কলার বড়া অথবা টিফিনে দুধ কলা দিয়ে মুড়ি মেখে খাই। কিন্তু এই একঘেয়ে দুধ বা কলা না খেয়ে আপনারা কিন্তু মাত্র এই দুটো উপাদান দিয়েই বানিয়ে ফেলতে পারেন একটু অন্য ধরনের এই অনবদ্য রেসিপি। অনেক সময় আমাদের বাড়িতে কলা থাকলে তা সহজেই পেকে যায় বা কালো হয়ে যায় ফলে বাধ্য হয়ে আমরা তা ফেলে দি।