ইডি ও সিবিআইয়ের কার্যপদ্ধতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ অন্যান্য বিরোধী দলের নেতারা। এরই মধ্যে শুক্রবার বিধানসভায় দাঁড়িয়ে শাসক দলের এক বিধায়ক তথা মন্ত্রীর বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দিতে দেখা গেল বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে। বিধানসভার কক্ষের মধ্যেই বলে বসেন, একমাসের মধ্যে পার্থ ভৌমিককে জেলে ভরে দেব।
রাজ্যে বন্ধ স্কুল খোলা পাশাপাশি অবিলম্বে ছাত্র সংসদ নির্বাচন, আনিস ইস্যু-সহ তিন দফা দাবিতে আগামীকাল বিধানসভা অভিযানের ডাক দিয়েছিল এসএফআই। এসএফআইয়ের সেই অভিযান ঘিরে উত্তাল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে শিয়ালদহ এবং হাওড়া স্টেশন এলাকায়। এসএফআইয়ের মিছিলও শুরু হতেই পথ আটকাল পুলিশ।
রাজ্যে বন্ধ স্কুল খোলা পাশাপাশি অবিলম্বে ছাত্র সংসদ নির্বাচন, আনিস ইস্যু-সহ তিন দফা দাবিতে আগামীকাল বিধানসভা অভিযানের ডাক দিয়েছিল এসএফআই। কিন্তু সেই মিছিলের অনুমতি দেয়নি লালবাজার। পুলিশের নির্দেশিকাকে উড়িয়ে শুক্রবার পথে নামতে চলেছে বাম ছাত্র সংগঠন। তার আগে শিয়ালদহ স্টেশনে মোতায়েন বিরাট পুলিশ বাহিনী। এসএফআইয়ের মিছিলও আটকাতে বদ্ধপরিকর পুলিশ বাহিনী।
টানা ৪২ দিন জেলে থাকার পর অবশেষে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি। জেল থেকে মুক্তির পর বিধানসভায় ফিরলেন নওশাদ। জানালেন, বিধানসভায় আমার যে লক্ষ্য, তা পুরণ করতে পারছি না। আমার সংকল্প নিয়ে এগিয়ে যাবো। সাফ বার্তা আইএসএফ বিধায়কের।
সারনা ধর্ম কোডের দাবিতে সম্প্রতি রাজ্যের একাধিক জেলায় রেল অবরোধের ছবি দেখা গেছে। এমনকি দাবি না মিটলে আগামী দিনে বিরাট আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন আদিবাসী সেঙ্গেল অভিযান নামের এক সংগঠন। এরই মধ্যে শুক্রবার সারি ও সারনা ধর্ম সংক্রান্ত প্রস্তাব গৃহীত হল বিধানসভায়। ১৮৫ ধারায় প্রস্তাব আনেন তৃণমূলের বিধায়করা। এক ঘন্টা ধরে আলোচনার পর এই প্রস্তাব গৃহীত হয়।
অর্থমন্ত্রীর বাজেট ঘোষণার পরেই রাজ্য সরকারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ শানালেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর কথায়, সম্ভবত মুখ্যমন্ত্রীর ট্রেড মিলে তৈরি করা ৩০ মিনিটের বাজেট। একইসঙ্গে তাঁর প্রশ্ন, ডিএ নিয়ে রাজ্য সরকারের ঘোষণা মূল বাজেটের সঙ্গে যুক্ত নয় কেন? যা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।
বুধবার বাজেট পেশের আগে মুখোমুখি শুভেন্দু ও মমতা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে আলোড়ন পড়ে গিয়েছিল। কিন্তু শুভেন্দু অধিকারী নিজেই ট্যুইট করে জানালেন, রাজ্যের মুখ্য তথ্য কমিশনার নিয়োগের বৈঠকে উপস্থিত হবেন না তিনি। অভিযোগ, আগেই নির্ধারণ করা হয়েছে কে ওই চেয়ারে বসবেন। এখন নামেমাত্র বৈঠকে ডাকা হয়েছে। মমতার সঙ্গে বৈঠকে থাকছেন না।