বুধবারই তৃণমূলের তরফে অভিযোগ তোলা হয়েছিল, বিধানসভায় জাতীয় সংগীতের অবমাননা করেছেন বিজেপি বিধায়করা। আর তার ঠিক একদিন পর ১১ জন বিজেপি বিধায়কের বিরুদ্ধে হেয়ার স্ট্রিট থানায় দায়ের হল এফআইআর। যদিও এই নামের মধ্যে নেই শুভেন্দু অধিকারীর নাম। বিরোধী দলনেতার নামও এফআইআরে যুক্ত করার জন্য আদালতে আবেদন জানাবে পুলিশ এমনটাই সূত্রের খবর।
বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি অসম্মানজনক আচরণ করায় শীতকালীন অধিবেশন থেকে সাসপেন্ড করা হল বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীকে। পাল্টা স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব পেশ করতে পারে বিজেপি। শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, আজই সচিবের কাছে অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেওয়া হবে।
রাজ্যের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং বিধায়কদের বেতন বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নিল সরকার। প্রত্যেকেরই বেতন বেড়েছে ৪০ হাজার টাকা করে। বৃহস্পতিবার বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বেতন বৃদ্ধির বিষয়টি ঘোষণা করলেন। তবে, স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুরোধের পরেও মুখ্যমন্ত্রী নিজের বেতন বৃদ্ধি করতে রাজি হলেন না।
বিধানসভায় রাজ্য দিবস ও রাজ্য সংগীত নিয়ে প্রস্তাব আনল তৃণমূলের পরিষদীয় দল। প্রস্তাবে ১ লা বৈশাখকে ‘রাজ্য দিবস’ এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘বাংলার মাটি, বাংলার জল’ গানটিকে ‘রাজ্য সংগীত’ করার পক্ষে সওয়াল করা হয়েছে। যদিও বিজেপি বিধায়করা এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করছেন। এমনকি রাজ্য দিবস ও রাজ্য সংগীত নিয়ে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের কাছে অভিযোগ জানাবেন বিজেপি বিধায়কেরা।
রাজ্য রাজ্যপাল সংঘাত ক্রমেই বাড়ছে। এবার রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের বিরুদ্ধে বিধানসভায় প্রস্তাব আনতে চলেছে তৃণমূল। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু উপাচার্য নিয়োগে রাজ্যপালের ভূমিকা নিয়ে চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করেছেন। তবে, এখনও পর্যন্ত তৃণমূলের তরফে বিধানসভায় প্রস্তাব আনা হবে কিনা তা খোলসা করে বলা হয়নি। পরিস্থিতি যে দিকে বাঁক নিচ্ছে তাতে তাই হবে বলে আশঙ্কা রাজনৈতিক মহলের।
তৃণমূল দলে শিল্পীর অভাব নেই। বলা ভালো, ঘাসফুল শাসন বজায় রাখার নেপথ্যে এখনও পর্যন্ত যথেষ্ট ভূমিকা নিয়ে থাকেন শিল্পীবৃন্দ। তাই বলে বিধানসভায় বাদানুবাদে জড়াবেন দুই গায়ক? প্রথম সারির একাধিক সংবাদ পোর্টালে চাউর হয়েছে সে খবর। সুর তাল যাদের ধ্যানজ্ঞান, তাঁরাই হঠাৎ করে একে অপরের বিরুদ্ধে 'বেসুরো' হলেন কেন? এ উত্তর জানা না থাকলেও, বিষয়টিকে একটু খোলসা করে বলাই যায়! কথা হবে, আজকের বিধানসভা শেষে স্বনামধন্য দুই গায়কমন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন আর বাবুল সুপ্রিয়কে নিয়ে।