সায়ন্তিকাদের তরফে জানানো হয়েছে, আজ অর্থাত্ বুধবার তাঁরা দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত বিধানসভায় অপেক্ষা করবেন। রাজ্যপাল ও তাঁর মনোনীত কোনও প্রতিনিধি এসে শপথবাক্য পাঠ করাতে পারেন। রাজভবনে তাঁরা যাবেন না।
ঘটনার সূত্রপাত, রাজ্যপাল সায়ন্তিকাদের বিধানসভাকে না জানিয়েই প্রথমে একবার শপথপাঠের আমন্ত্রণ জানান। তাতেই ক্ষোভ হয় অধ্যক্ষ বিমানের। সঙ্গে সঙ্গে চিঠি দেন রাজ্যপালকে। সায়ন্তিকা ও রায়াতও জানান, তাঁরা বিমানের কাছেই শপথ নিতে চান।
দিলীপ বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি। তাঁর আমলেই বিধানসভায় পদ্ম-শিবির ৩ থেকে ৭৭ আসন জেতে। লোকসভায় ২ থেকে ১৮। যদিও সেই ফলাফলের পর সরতে হয় দিলীপকে। হয়তো, দলের 'সামান্য' শ্রীবৃদ্ধিতে সন্তুষ্ট ছিলেন না কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।
এবারের লোকসভায় ৪২ টি আসনের মধ্যে ২৯ টি জিতেছে তৃণমূল। বিজেপি পেয়েছে ১২ টি এবং কংগ্রেস ১ টি। এই ফলাফলকে যদি বিধানসভা ভিত্তিক দেখা হয় তাহলে, তৃণমূল আসলে জিতেছে ১৯২ টি আসনে। বিজেপি পেয়েছে ৯০ টি আসন, কংগ্রেস পেয়েছে ১১ টি বিধানসভা। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে খাতা খুলেছে বামেরা। একটি বিধানসভা জিতেছে তাঁরাও।
তাঁদের জামায় লেখা ছিল, 'সন্দেশখালির পাশে আছি'। এই পাঞ্জাবি গায়ে বিধানসভায় প্রবেশের সময় তাঁদের বারণ করেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁরা সে কথা শোনেন না। এরপর অধিবেশনের শুরু থেকেই বিজেপি বিধায়কেরা চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করেন, হুইসল বাজান। তীব্র অরাজকতা সৃষ্টি হওয়ার ৬ জন বিজেপি বিধায়ককে সাসপেন্ড করলেন স্পিকার।
বিধানসভায় দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে রাজ্যের আয়-ব্যয়ের খতিয়ান দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিরোধীদের তরফ থেকে বারবার অভিযোগ করা হয়েছিল দুর্গাপুজোর অনুদান নিয়ে। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানালেন, দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে রাজ্যের যে পরিমাণ অর্থ খরচ হয়েছে তার থেকেও বাণিজ্যে আয় হয়েছে অনেক গুণ বেশি।