বৃষ্টিতে ভিজে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তখন ঝাঁঝালো বক্তব্য রাখছেন। বক্তব্য প্রায় শেষের পথেই। এমন সময় আচমকা ধর্মতলায় দেখা গেল চাণক্যকে। বঙ্গ রাজনীতিতে চাণক্য নামে একজনই পরিচিত, তিনি হলেন মুকুল রায়। আজ তৃণমূলের শহিদ দিবসের শেষলগ্নে পুত্র শুভ্রাংশু রায়কে নিয়ে উপস্থিত হলেন তিনি। দূর থেকে কি মমতার ভাষণ শুনে গেলেন মুকুল?
আগামী বছর লোকসভার আগে শেষ একুশে জুলাই। আর প্রতিবারের মতো এবারেও শহিদ দিবসে নামল বৃষ্টি। আর ভিজতে ভিজতেই বক্তব্য রাখলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন তিনি হুঙ্কার দিয়ে বললেন, ‘আমি চ্যালেঞ্জ নেওয়া লোক চব্বিশে বিজেপিকে হারাবোই’।
নজরবন্দি ব্যুরো: একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে ঝাঁঝালো বক্তব্য রাখলেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু তাই নয়, ১০০ দিনের কাজের...
১৯৯৩ সালে ২১ জুলাই পুলিশের গুলিতে মারা গিয়েছিল ১৩ জন কংগ্রেস কর্মী। আহত হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও। সেই সময় বাংলার ক্ষমতায় ছিলে বাম সরকার, মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু। আর ক্ষমতায় আসার পর থেকে এইদিনটাকে শহিদ দিবস হিসেবে পালন করে তৃণমূল। একুশে জুলাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ‘জাগো বাংলা’-য় লিখেছেন, ‘একদিন ওরা লাঠি-সড়কি-বন্দুক নিয়ে আমাদের পথে মেরেছিল। আজ ওরা ক্যামেরা-কলম নিয়ে আমাদের আবার মারতে চায়। সেদিনও ছিল মুষ্টিমেয় স্বার্থান্বেষীর বিরুদ্ধে কোটি কোটি মানুষের লড়াই। আজও তাই। সেই সব গুলি চালানো অত্যাচারী মুখগুলিকে আবার দেখছি। আজও তাঁরা আমাদের মুখ বন্ধ করে গণতন্ত্রকে চোরাপথে কবজা করতে চায়। সেদিন তাঁরা গুলি চালিয়েছিল। আজ তাঁরা বোমাবাজি করে, কিছু ক্যামেরাবাজি করে, কিছু কলমবাজি করে’।
নজরবন্দি ব্যুরো: মিটেছে পঞ্চায়েত ভোট। প্রকাশিতও হয়েছে ফলাফল। ফের গ্রাম বাংলার পঞ্চায়েত রাজ থেকে গিয়েছে শাসক দল তৃণমূলের হাতেই। দিন কয়েক আগেই দলের শীর্ষ...