নজরবন্দি ব্যুরো: মণিপুরে দু’জন মাহিলাকে নগ্ন করে ঘোরানোর ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল শুরু হয়েছে গোটা দেশে। ঘটনার নিন্দায় সরব হয়েছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কড়া ভাষায় নিন্দার পাশাপাশি মণিপুরের বিজেপি সরকারকে নিশানায় এনেছেন। এবার বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার পাল্টা দাবি করলেন, বাংলায় মহিলাদের সম্মান নিয়ে ছেলেখেলা করছে তৃণমূল।
আরও পড়ুন: আমি চ্যালেঞ্জ নেওয়া লোক চব্বিশে বিজেপিকে হারাবোই, মঞ্চে ভিজতে ভিজতে হুঙ্কার মমতার
আজ, শুক্রবার ধর্মতলায় আয়োজিত হল তৃণমূলের শহিদ দিবস। প্রতি বছরের ন্যায় এদিন শহিদদের প্রতি সম্মান জানিয়ে বক্তব্য রাখলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আবার তিনি মণিপুরের মহিলাদের সাথে ঘটা ঘটনাকে মধ্যযুগীয় বর্বরতার সঙ্গে তুলনা করে বিজেপি সরকার তথা প্রশাসনকে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় সমালোচনা করলেন। এদিকে আবার সুকান্ত মজুমদারের মতে বাংলায় মহিলাদের অবস্থা আরও শোচনীয়, তা নিয়ে নাকি মুখ্যমন্ত্রী ইচ্ছে করেই নীরব। সুকান্ত মজুমদারের বক্তব্য, ‘তৃণমূল মণিপুরের ঘটনা নিয়ে উতেজনা ছড়ানোর চেষ্টা করছে। অথচ পশ্চিমবঙ্গে একজন বিজেপির মহিলা কর্মীকে নগ্ন করে ঘোরানো হয়েছে। এই ঘটনা কি কম দুঃখজনক? কিন্তু এই ঘটনার কোনও ভিডিও নেই। কারণ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ ও গুন্ডা কাউকে ভিডিও করার অনুমতি দেয়নি। পশ্চিমবঙ্গে মহিলাদের ওপর যে ধরণের অত্যাচার হচ্ছে তা প্রকাশ্যে এলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সারা দেশে মুখ দেখাতে পারবেন না’।
![]()
সুকান্ত আরও বলেন, ‘একই দিনে আলিপুরদুয়ার ও বীরভূমে দু’জন মহিলাকে নগ্ন করে ঘোরানো হয়েছে। এই কথা বাংলার সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত। একজনকে তো আবার নগ্ন করে গাধার পিঠে চড়িয়ে ঘোরানো হয়েছে। এরকম একাধিক ঘটনা একুশের বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই ঘটে আসছে’।

অন্যদিকে, শহিদ দিবসের মঞ্চ থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় হুঙ্কার দিয়েছেন যে, আগামী ৫ অগস্ট বিজেপি নেতাদের বাড়ি ঘেরাও করবে তৃণমূল কারণ, কেন্দ্র সরকার ১০০ দিনের কাজের টাকা আটকে রেখেছে। সেই প্রসঙ্গে সুকান্তের বক্তব্য, ‘কোন ধরনের রাজনীতিতে বিরোধী দলের নেতাদের বাড়ি কেউ ঘেরাও করে? একজন মুখ্যমন্ত্রী ব্লক স্তরের নেতাদের হুমকি দিচ্ছেন!’
বাংলায় মহিলাদের সম্মান নিয়ে ছেলেখেলা করছে তৃণমূল, মণিপুরের পাল্টা জবাব সুকান্তর
![]()



