নজরবন্দি ব্যুরো: একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে ঝাঁঝালো বক্তব্য রাখলেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু তাই নয়, ১০০ দিনের কাজের টাকা আদায়ের জন্য গান্ধী জয়ন্তীর দিন ‘দিল্লি চলো’ ডাক দিলেন তিনি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরেই বক্তব্য রাখছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আরও পড়ুন: ক্ষোভের আগুন এখনও মেটেনি! দলীয় মুখপত্রে সিপিএমকে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় আক্রমণ মমতার
আজ, শুক্রবার ধর্মতলার ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে আয়োজিত হয়েছে তৃণমূলের শহিদ দিবস। আর, এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ধর্মতলায় কার্যত জনজোয়ার। দূরদূরান্ত থেকে কর্মী সমর্থকেরা ভিড় করে আসছেন ধর্মতলায়। মোট তিনটি মঞ্চ তৈরি হয়েছে আজকের সমাবেশের জন্য। মুখ্যমন্ত্রী ছাড়া বক্তব্য রাখলেন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, যুবনেত্রী সায়নী ঘোষ, রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী এবং সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো প্রথম সারির নেতারা। এছাড়া আজ চাঁদের হাট একুশের মঞ্চে। উপস্থিত রয়েছেন দেব, মিমি, নচিকেতা, সৌমিতৃষা, নুসরত, শুভাপ্রসন্নের মতো শিল্পী ও কলাকুশলীরা।

এদিন শুরুতেই শহীদের প্রতি ফুল মালা অর্পণ করে সম্মান জানান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেছেন, ‘আগামী ৫ অগস্ট বাংলায় বিজেপির জেলা থেকে ব্লক—ছোট, বড়, মেজ, সেজ সমস্ত নেতার বাড়ি ঘেরাও করবেন তৃণমূল কর্মীরা। সেই ঘেরাও অবশ্যই হতে হবে শান্তিপূর্ণ। বাংলার সৌভাতৃত্বের ঐতিহ্য মেনে তা করতে হবে। বিজেপি নেতার পরিবারে কোনও প্রবীণ নাগরিক থাকলে তাঁকে আটকানো চলবে না। কিন্তু সকাল ১০ টা থেকে সন্ধে ৬ টা পর্যন্ত ৮ ঘণ্টা ওই বিজেপি নেতাকে বাড়ি থেকে বের হতে বা ঢুকতে দেওয়া হবে না। আর আগামী ২ অক্টোবর গান্ধীর জন্মদিনে দিল্লি চলো। আপনারাও আমার সঙ্গে চলুন। ১০০ দিনের কাজের টাকা আদায় করে আনব। তৃণমূল শুদ্ধ লোহা, যত পোড়াবে তত শক্তিশালী হবে’।

একুশের মঞ্চে চাঁদের হাট, গান্ধী জয়ন্তীতে ‘দিল্লি চলো’ ডাক অভিষেকের




