বিগত কয়েক বছরের মতোই চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্মদিনে 'শিক্ষক দিবস' পালন করল বাংলা পক্ষ। ২০১৮ সাল থেকেই এই দিনটিকে শিক্ষক দিবস রূপে পালন করে আসছে বাংলা পক্ষ। ৫ই সেপ্টেম্বরকে যে বাংলা পক্ষ শিক্ষক দিবস হিসাবে মানে না এ কথা আগেই স্পষ্ট করে দেওয়াআ হয়েছিল। আজ ২৪ টি সাংগঠনিক জেলার একজন করে বিশিষ্ট শিক্ষককে 'বিদ্যাসাগর জাতীয় শিক্ষক সম্মান ১৪৩০'-এ ভূষিত করা হয় সংগঠনের তরফে।
রাজ্যে হিন্দি দিবস পালনের বিপক্ষে রাজপথে নামল বাংলা পক্ষ। বৃহস্পতিবার রবীন্দ্রসদন চত্বর থেকে হাজরা মোড় পর্যন্ত মিছিল করে হাঁটেন বাংলা পক্ষের কর্মী সদস্যরা। মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন বাংলা পক্ষের সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায়। ১৪ই সেপ্টেম্বরকে 'কালো দিন' হিসাবেও ঘোষণা করেছে বাংলা পক্ষ।
আজ ৫ই সেপ্টেম্বর, শিক্ষক দিবস। অথচ আজকের দিনটিকে শিক্ষক দিবস হিসাবে মানতে নারাজ বাংলা পক্ষ। তাঁদের দাবি, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্মদিন অর্থাৎ ২৬শে সেপ্টেম্বরকে শিক্ষক দিবস হিসাবে পালন করা হোক। এই দাবি নিয়ে আজ প্রেস ক্লাবে একটি সাংবাদিক সম্মেলন আয়োজন করে বাংলা পক্ষ। সেখানে এই দাবি নিয়ে সোচ্চার হন বাংলা পক্ষের সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় সহ সংগঠনের প্রথম সারির একাধিক নেতা।
ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অধীন CAPF কনস্টেবল নিয়োগের পরীক্ষা SSC-GD 2022-এ ভুয়ো ডোমিসাইল এবং কাস্ট সার্টিফিকেট বানিয়ে পশ্চিমবঙ্গের জন্য সংরক্ষিত আসনে ঢুকছে ভিনরাজ্যের ছেলেমেয়েরা। এরকমই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ এনে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করল বাংলা পক্ষ।
সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত একটি রায়ে উল্লেখ করেছেন, ‘হিন্দি ভারতের রাষ্ট্রভাষা’। এবার রায় সংশোধনের আবেদন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়কে চিঠি দিলেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায়। বাংলা পক্ষ স্পষ্ট জানিয়েছে, ভারতের সংবিধানে কোনও রাষ্ট্রভাষার উল্লেখ নেই।
সমস্ত রাজ্যের তরফে নিজ নিজ ভাষাকে বিশেষ প্রাধান্য দেওয়া হয়ে থাকে। যেখানে সমস্ত স্কুলে নিজ নিজ ভাষায় শিক্ষা দেওয়া বাধ্যতামূলক। একইভাবে বাংলার প্রতিটি স্কুলে চাই বাংলা ভাষায় শিক্ষা। দশম শ্রেণী পর্যন্ত একটি বিষয় হিসাবে বাংলা বাধ্যতামূলকের দাবি জানিয়ে বাংলার শিক্ষামন্ত্রী মাননীয় ব্রাত্য বসুকে চিঠি দিলেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়।
কলকাতার রানুচ্ছায়া মঞ্চে বাংলা পক্ষর প্রতিবাদ সভায় যোগ দিয়েছিলেন দূর-দূরান্তের নানা জেলা থেকে টেট-পাশ মেধাবী বাঙালি ছাত্রছাত্রীরা। উপস্থিত ছিলেন দীর্ঘ সময় ধরে প্রাথমিক শিক্ষক পদে নিয়োগের দাবিতে আন্দোলনরত হবু শিক্ষকরা। ভিন রাজ্যের চাকরি প্রার্থীদের নিয়োগ বন্ধ হোক, এবার সরব বাংলা পক্ষ।