চিঠিতে বাংলা পক্ষ লিখেছে, "বাংলা ভাষাকে ধ্রুপদী ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার জন্য রাজ্য সরকার যে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে তাকে সাধুবাদ জানাই। কিন্তু বাংলা ভাষা ভারতে বঞ্চিত। এমনকি বাংলার মাটিতেও বাংলা ভাষার আর সেই গুরুত্ব নেই। রাজ্যে ৮৬ শতাংশ মানুষ বাঙালি হলেও নতুন প্রজন্ম বাংলা ভাষা শিখছে না।"
ভারতীয় সেনায় কোনো বাঙালি রেজিমেন্ট নেই। সুভাষ চন্দ্র বসুর মাতৃভাষা বাংলা ভাষায় সেনাবাহিনীর চাকরির পরীক্ষা দেওয়া যায় না। সাধারণতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে ভারতীয় সেনায় বাঙালি রেজিমেন্ট ও সেনার ভর্তি পরীক্ষা বাংলা ভাষায় দেওয়ার দাবিতে সোচ্চার বাংলা পক্ষ।
বাংলা পক্ষের (Bangla Pokkho) কথায়, "বাংলায় থাকবে, চাকরি করবে- কিন্তু বাংলা শিখতে এত অনীহা কেন? কেন এত বাংলা বিদ্বেষ? দশকের পর দশক বাংলায় থেকেও উর্দু-হিন্দি ভাষীরা বাংলা না শেখার কারণ কি?"
বিএসএফ (BSF) সহ আধাসেনার চাকরিতে জাল ডোমিসাইল দিয়ে বাংলার রাজ্য কোটায় চাকরি দখল! কাঁকিনাড়া থেকে দুই বহিরাগত দালালকে গ্রেফতার করল ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশ। বাংলা পক্ষের তরফেই প্রথম এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে মহেশতলা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়।
জাল ডোমিসাইল চক্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় আক্রান্ত বাংলা পক্ষ। দীর্ঘদিন ধরেই বাংলা পক্ষ দাবি করে আসছে, এই পশ্চিম বাংলার মাটিতে জাল ডোমিসাইল ও কাস্ট সার্টিফিকেটের একটি চক্র গড়ে উঠেছে। এদের মাধ্যমেই বিহার, উত্তরপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ডের অধিবাসীরা বাংলার ডোমিসাইল এমনকি কাস্ট সার্টিফিকেট জোগার করছে ও বাংলার জন্য বরাদ্দ কোটার চাকরি দখল করছে। এরফলে বাঙালি তথা বাংলার ভূমিপুত্ররা বঞ্চিত হচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকারের এসএসসি জিডি (SSC GD) পরীক্ষায় এই দুর্নীতি ব্যাপক ভাবে হয়েছে। বাংলা পক্ষ একাধিক জায়গায় পুলিসে অভিযোগ করেছে তথ্য সহ।
আলিপুরদুয়ার জেলার ভুটান সীমান্তবর্তী জনপদ জয়গাঁ, একটি অর্থনৈতিক কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। বাংলার অন্যান্য জায়গার মত গুরুত্ব বারার সঙ্গে সঙ্গেই এখানেও বাড়ছে বহিরাগত দখলদারদের আগমন। জয়গাঁ সহ পুরো আলিপুরদুয়ার জেলায় বাঙালি, কোচ, মেচ, রাজবংশী, আদিবাসী, নেপালী সহ সমস্ত ভূমিপুত্রদের অধিকারের স্বার্থে গর্জে উঠল বাংলা পক্ষ। আলিপুরদুয়ারের ভূমিপুত্রদের কাজ দখল হচ্ছে। অটো, টোটো লাইন, হোটেল , পর্যটন সহ সকল কাজে বাঙালি তথা ভূমিপুত্রদের অগ্রাধিকারের দাবিতে এদিন সভা করে বাংলা পক্ষ।
সাধারন সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় পরিষ্কার বলছেন, নিজের মাটিতেই রাজ্য সরকারি চাকরিতে বঞ্চিত বাঙালি। শুক্রবার বাংলা পক্ষ পুনরায় স্মারকলিপি প্রদান ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করল মৌলালিতে কমিশনের অফিসে।