নজরবন্দি ব্যুরোঃ পুরসভা নিয়োগের পরীক্ষায় সাব অ্যাসিস্টেন্ট পদে (Sub- Assistant Engineer) নিয়োগের যে প্রক্রিয়া বর্তমানে চলছে তাতে ইন্টারভিউতে ডাক পাওয়া চাকরিপ্রার্থীদের তালিকায় বহিরাগতদের সংখ্যা বেশ অবাক করার মতো! সে রকমই দাবি বাংলা পক্ষের। সাধারন সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় পরিষ্কার বলছেন, নিজের মাটিতেই রাজ্য সরকারি চাকরিতে বঞ্চিত বাঙালি। শুক্রবার বাংলা পক্ষ পুনরায় স্মারকলিপি প্রদান ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করল মৌলালিতে কমিশনের অফিসে।
আরও পড়ুনঃ ৫৪ ঘণ্টার তল্লাশি শেষ, রেশন দুর্নীতি মামলায় আটক মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ বাকিবুর
বাংলায় পুরসভার চাকরির পরীক্ষা শুধুমাত্র ইংরেজিতে হয়, বাংলায় হয় না। বাংলায় ৮৬% মানুষ বাঙালি। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বাংলা ভাষার ভিত্তিতে তৈরি৷ কিন্তু সরকারি চাকরির পরীক্ষা বাংলায় দেওয়ার সুযোগ নেই। অথচ অন্যান্য রাজ্যে সরকারি চাকরিতে সেই রাজ্যের মূল ভাষার একটি পত্র বাধ্যতামূলক থাকে। রাজ্যের মূল ভাষা বাধ্যতামূলক করার ফলে চাকরিতে ভূমিপুত্রদের অগ্রাধিকার নিশ্চিত হয়।

বাংলা পক্ষ পুরনিয়োগের পরীক্ষায় বাংলা ভাষা বাধ্যতামূলক করার দাবিতে ২০২২ সালের ২৬শে ডিসেম্বর কমিশনের চেয়ারম্যানের কাছে ডেপুটেশন দেয়। কিন্তু কোন সদর্থক পদক্ষেপ না পাওয়ায় শুক্রবার বাংলা পক্ষ পুনরায় স্মারকলিপি প্রদান ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করল মৌলালিতে কমিশনের অফিসে।

বাংলা পক্ষর সাধারন সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, “আমাদের কাছে খবর আছে বাংলা বাধ্যতামূলকের ফাইল দীর্ঘদিন আটকে রেখেছে পৌর দপ্তরের উর্দুভাষী সচিব খলিল আহমেদ। অবিলম্বে এই ফাইলের বাস্তবায়ন না হলে বৃহত্তর আন্দোলন হবে বলে জানান তিনি। Yadav পদবীর কেউ বাংলায় এসটি (ST) কিভাবে হোন সে প্রশ্ন করতে হবে৷ আমরা এফআইআর (FIR) করব। বাঙালি ছেলেমেয়েদের ভবিষ্যত এভাবে ধ্বংস করা যাবে না।”
পুরনিয়োগে বাংলা ভাষা বাধ্যতামূলক করা হোক, কমিশনে বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি প্রদান বাংলা পক্ষের
সাংগঠনিক সম্পাদক কৌশিক মাইতি বলেন, “দশ মাস পেরিয়ে গেছে প্রথম ডেপুটেশনের, বাঙালি চাকরিপ্রার্থীদের ধৈর্যের বাঁধ ভাঙছে। পৌর পরিসেবা সরাসরি বাঙালি নাগরিকের সঙ্গে সম্পর্ক যুক্ত। বহিরাগতদের অবাধ প্রবেশের ফলে যেমন চাকরির সুযোগ কমছে, তেমনি পরিষেবার ক্ষেত্রেও অসুবিধা হচ্ছে। এটা চলতে পারে না। অবিলম্বে বাংলা ভাষার পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করতে হবে।”




