অন্যদিকে চার্জশিটে অয়ন শীলের নামও রয়েছে যিনি পেশায় প্রোমোটার।২০২৩ সালের মার্চ মাসে অয়ন শীলের সল্টলেকের বা়ড়িতে তল্লাশি চালায় তদন্তকারীরা। তল্লাশি চলাকালীন বাড়ি থেকে বেশ ওএমআর সিট পায় তদন্ত কারীরা। তারপরেই প্রকাশ্যে আসে পুরনিয়োগ দুর্নীতির ঘটনা।
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আগেই শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ অয়ন শীলকে গ্রেফতার করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এবার অয়ন শীলের পরিবারের সদস্যদের তলব করা হয়েছে। বুধবার সকাল সাড়ে ১০ টা নাগাদ সিজিও কমপ্লেক্সে উপস্থিত হয়েছেন তাঁরা। আগামী শুক্রবার অয়ন শীলের স্ত্রী কাকলি শীল এবং ছেলে অভিষেক শীলকে তলব করা হয়েছে। পরিবারের নামে বিপুল সম্পত্তি নিয়োগ দুর্নীতির টাকাতেই করেছিলেন অয়ন? প্রশ্ন উঠছে রাজনৈতিক মহলে।
সাধারণ একজন প্রমোটার থেকে নিয়োগ দুর্নীতির অন্যতম মাথা। শুধুমাত্র শিক্ষাক্ষেত্রে নয়, পুরসভাতেও নিয়োগ সম্পর্কে তাঁর বিস্তার নিয়ে আলোচনা হয়েছে বারবার। এখন সেই অয়ন শীলের কার্যকলাপের ব্যাখা দিতে গিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করে বসল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। তাঁর কথায়, শিক্ষিত চোরের চুরি করার ক্ষমতা অনেক বেশী।
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার অয়ন শীল সম্পর্কে বিরাট তথ্য হাতে পেতে মরিয়া এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ইডির বিশেষ নজরে রয়েছে অয়ন শীলের স্ত্রী, ছেলে, ছেলের বান্ধবী ইমন গঙ্গোপাধ্যায় এবং শ্বেতা চক্রবর্তী। আগামী সপ্তাহেই অয়ন ঘনিষ্ঠ শ্বেতাকে তলব করতে পারে তদন্তকারী সংস্থা। একইসঙ্গে তলব করা হতে পারে অয়নের পরিবারের সদস্যদের।
শুরুতে সেই টাকার অঙ্কের পরিমাণ ১২ কোটি টাকা মনে করছিল তদন্তকারী সংস্থা। কিন্তু এখন দুর্নীতির অঙ্ক বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪০ কোটিতে। ইডি সূত্রে খবর, পুরসভায় বেআইনি নিয়োগের জন্য ৪০ কোটি তুলেছিলেন অয়ন। সেই দুর্নীতির মাত্র ২৫ শতাংশ ভাগ পেত অয়ন, বাকি ৭৫ শতাংশ কার কাছে যেত? তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।