শুধু শিক্ষাক্ষেত্রেই নয়। রাজ্যের পুরসভা গুলির ক্ষেত্রেও একাধিক দুর্নীতির অভিযোগে উঠে এসেছে। আর এই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্তে নেমে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা সিবিআইয়ের হাতে। তাই মঙ্গলবার পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আলিপুরে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে চার্জশিট জমা দিল সিবিআই।



যেখানে বিশেষ ভাবে নজরে রয়েছে দক্ষিণ দমদম পুরসভা। এই পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান পাঁচু রায়ের নামও রয়েছে এই চার্জশিটে। সেই সঙ্গে নাম রয়েছে একাধিক বার কেন্দ্রীয় এজেন্সির জেরার মুখে পড়া অয়ন শীলেরও। ফলে বিপাকে পাঁচু রায় ও অয়ন শীল।
সূত্রের খবর, কোভিড কালে দক্ষিণ দমদম পুরসভায় মোট ২৯ জন কে নিয়োগ করা হয়েছিল। পরে সেই নিয়োগ নিয়ম বহির্ভূত হওয়ায় ২৯ জনের চাকরিই বাতিল হয়ে যায়। তবে টাকার বিনিময়ে এই চাকরি দেওয়া হয়েছিল কিনা তা নিয়ে এখনো তদন্ত চলছে। উল্লেখ্য, সেই সময় ওই



অন্যদিকে চার্জশিটে অয়ন শীলের নামও রয়েছে যিনি পেশায় প্রোমোটার। ২০২৩ সালের মার্চ মাসে অয়ন শীলের সল্টলেকের বা়ড়িতে তল্লাশি চালায় তদন্তকারীরা। তল্লাশি চলাকালীন বাড়ি থেকে বেশ ওএমআর সিট পায় তদন্ত কারীরা। তারপরেই প্রকাশ্যে আসে পুরনিয়োগ দুর্নীতির ঘটনা।
পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় চার্জশিট দিল CBI, চার্জশিটে পাঁচু ও অয়ন শীলের নাম

এরপর বহুবার অয়ন শীলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তদন্তে জানা যায় পূরসভাগুলিতে একাধিক নিয়োগ করা হতো এই অয়নশীলের এজেন্সির মাধ্যমেই। যেকারণেই চার্জশিটে পাঁচু রায়ের পাশাপাশি রাখা হয়েছে অয়নশীলের নামও।







