রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের উপস্থিতিতে গেরুয়া শিবিরে যোগ দিলেন কলকাতা হাই কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার ধর্মতলার সভা থেকে নাম না করে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে নিশানায় নিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
বিজেপিতে যোগদানের আগেই অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, "ডায়মন্ড হারবারে দাঁড়ালে তৃণমূলের তালপাতার সেপাইকে লক্ষ লক্ষ ভোটে হারাব। তৃণমূল সরকার ২০২৬ সালের আগেই শেষ!"
সিবিআই তদন্ত নিয়ে পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়ে রাজ্যের তরফে এজি বলেছিলেন, "ইডির আবেদনের ভিত্তিতে পুরসভার দুর্নীতি নিয়ে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু পুরসভার দুর্নীতি নিয়ে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু পুরসভার মামলা ওই বিচারপতির বিচারাধীন নয় তবে তিনি কীভাবে নির্দেশ দিতে পারেন।? হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি ঠিক করেন কোন মামলার শুনানি কোন বিচারপতি করবেন!
শুক্রবার মামলা চলাকালীন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা বলেন, যখনই কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে, তখনই বিচারপতিকে আক্রমণ করা হচ্ছে। পেপারওয়েট, হাওয়াই চটি নিয়ে তেড়ে যাচ্ছে। পোস্টার লাগানো হচ্ছে।
হাত বেঁধে দেওয়া হচ্ছে সিঙ্গেল বেঞ্চের। কেন তাঁর রায়ে বারবার স্থগিতাদেশ দেওয়া হচ্ছে? এই প্রশ্ন তুলে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এনভি রামানার দ্বারস্থ হলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।