তবে আজ মাঠে নামার আগে সমর্থকদের জন্য বিশেষ বার্তা দেন জনি কাউকো। তিনি বলেন, আইএসএলের ভুল্ভ্রান্তি দূরে ঠেলে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ এসেছে। আমার নিজেদের ক্ষমতা তুলে ধরতে চাই। তারজন্য আজ নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দেব। সমর্থকদের ভালো ফলাফল উপহার দেবো।
তবে ক্লাবের বাইরের পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ক্লাবে কোনও বিরোধিতা নেই। কেউ কিছু করলে সেটা তাঁর ব্যক্তিগত ব্যাপার।” এছাড়াও দেবাশিস দত্ত বলেন, “ক্লাবের সকলেই আমার সঙ্গে রয়েছে। টুটু বসুর সঙ্গেও কথা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১৯৯৭ সালে ফেডারেশন কাপের ফাইনালে লাল-হলুদ জার্সিতে মাত্র ২০ বছর বয়সে নিজের হ্যাট্রিক গড়েছিলেন বাইচুং ভুটিয়া। এবার সেই পথযাত্রী কিয়ান নাসিরি। গতকালের ম্যাচের পর অনেকেই মনে করতে শুরু করেছে যে,সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী দিনে ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসে সুনীল ছেত্রীর পরবর্তী তারকা হয়ে উঠতে পারেন কিয়ান।
ডার্বিতেই সবুজ মেরুনে প্রত্যাবর্তন হতে পারে সন্দেশ ঝিঙ্গানের। রক্ষণে তিরির সঙ্গে জুটি বাঁধতে পারেন বর্তমানে ভারতের অন্যতম সেরা এই ডিফেন্ডার। রয় কৃষ্ণর অনুপস্থিতিতে ডার্বি জেতাতে বড় ভূমিকা নিতে হবে হুগো বৌমাসকেও।
এই নিয়ে এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সন্দেশ ঘনিষ্ঠ জানান – ” বর্তমানে ক্রোয়েশিয়ান এই ক্লাবের সঙ্গে চুক্তি রদ করেছেন সন্দেশ। তাই এই মুহূর্তে প্রাক্তন ক্লাবের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে আলোচনা চালাচ্ছেন তাঁর প্রতিনিধি। এই নিয়ে সবুজ মেরুনের বর্তমান কোচ জুয়ান ফেরান্দো কে প্রশ্ন করা হলে সেবিষয়ে এড়িয়ে যান তিনি। আদৌ কি দলে ফিরবেন সন্দেশ? এখন সেদিকেই নজর সকলের।
এখানেই শেষ নয় জানা গিয়েছে আসন্ন উইণ্ডোয় নাকি এটিকে মোহনবাগান শিবিরে স্ট্রাইকার হিসেবে যোগদান করতে চলেছেন প্রাক্তন লাল-হলুদ তারকা ব্রাইট এনবাখারে। বিগত কয়েকমাস ধরে চেন্নাইয়িন এফসি কিংবা ফের এসসি ইস্টবেঙ্গলে আশার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত নাকি সবুজ-মেরুনের সঙ্গে কথাবার্তা চূড়ান্ত হয়েছে এই তারকার।