অখিলের এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি খুবই সুন্দর মহিলা। অখিল অন্যায় করেছেন। আমি ধিক্কার জানাচ্ছি। বিধায়কের হয়ে ক্ষমা চাইছি। দুঃখপ্রকাশ করছি। পরে অবশ্য রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে ক্ষমা চেয়েছিলেন মন্ত্রী নিজে। এখন অখিলের মামলা থেকে মুখ্যমন্ত্রীর নাম বাদ দেওয়ার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট।
শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় শাসক দলের বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে। প্রভাব খাটিয়ে, টাকার বিনিময়ে বেআইনি নিয়োগ নিয়ে বিস্তর অভিযোগে বিদ্ধ রাজ্যের শাসক দল। এবার একইভাবে নিয়োগ নিয়ে অভিযোগ উঠল স্বাস্থ্য দফতরের বিরুদ্ধেও। নাম জড়াল রাজ্যের আরও এক মন্ত্রী অখিল গিরির। অভিযোগ, বেআইনি নিয়োগ হয়েছে অখিলের ভাইঝির। তবে কী প্রভাব খাটিয়ে চাকরি পেয়েছেন অখিল গিরি।
জেলার গুরু দায়িত্বে পাঠানো হয়েছে তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক কুণাল ঘোষকে। পঞ্চায়েত ভোটের আগে রুটম্যাপ তৈরি করতে ৩ ডিসেম্বর কাঁথিতে সভা করবেন তিনি। ঠিক ১১ দিনের মাথায় বদলে গেল। শুভেন্দুর বাসভবন থেকে ২০০ মিটার দূরে অভিষেকের সভা হওয়ার কথা রয়েছে। সভার দায়িত্বে থাকছেন সম্প্রতি বিতর্কে জড়িয়ে পরা রাজ্যের মন্ত্রী অখিল গিরি।
তাঁর পদত্যাগের দাবিতে সোমবার সরব হয়েছে বিজেপি। এমনকি অখিল গিরির পদত্যাগ চেয়ে রাজ্যপালের দরবার করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। এবার সেই প্রসঙ্গে মুখ খুললেন রাজ্যের মন্ত্রী। জানালেন, মুখ্যমন্ত্রী যা বলবে তাই করব।
রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে উদ্দেশ্য করে মন্ত্রী অখিল গিরির মন্তব্যের জেরে বিধানসভায় মুলতুবি প্রস্তাব দিল বিজেপির পরিষদীয় দল। আদিবাসী সম্প্রদায়ের উত্তরীয় পরে এদিন বিধানসভায় প্রবেশ করেন বিজেপি বিধায়করা। এরপরেই বিধানসভায় মুলতুবি প্রস্তাব দেওয়া হয় বিজেপির তরফে। অখিলের বিরুদ্ধে মুলতুবি প্রস্তাব –এর পাশাপাশি মন্ত্রীপদ থেকে অখিল গিরিকে অপসারণের দাবিতে সরব হন বিজেপি বিধায়করা।