ইতিমধ্যেই ঐন্দ্রিলার মৃত্যুতে শোক জ্ঞাপন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। তিনি বলেন, “মারণরোগের বিরুদ্ধে অদম্য মনোবল নিয়ে তিনি যে ভাবে লড়াই করেছেন তা দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। তাঁর ট্রাজিক প্রয়াণ অভিনয় জগতের এক বড় ক্ষতি। আমি ঐন্দ্রিলা শর্মার পরিবার-পরিজন ও অনুরাগীদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি।”
২০ দিনের লড়াই শেষ, না ফেরার দেশে ঐন্দ্রিলা। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেল, ২০ নভেম্বর, দুপুর ১২টা ৫৯ মিনিটে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করলেন অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা শর্মা। লড়াকু ঐন্দ্রিলার মহাশুণ্যে মুক্তি।
ঐন্দ্রিলার অবস্থা আরও সঙ্কটজনক। শনিবার রাতে পর পর ১০বার মৃদু হার্ট অ্যাটাক হয় অভিনেত্রীর। হাসপাতাল সুত্রের খবর, সিপিআরের মাধ্যমে পরিস্থিতি সাময়িক ভাবে সামাল দেওয়া গেলেও পরিস্থিতি স্থিতিশীল নয়। এই মুহূর্তে তাঁকে রাখা হয়েছে পুরো লাইফ সাপোর্টে।
হাসপাতাল সূত্রে খবর, শনিবার ফের একবার 'মাইল্ড কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট' হয় ঐন্দ্রিলার। যদিও এরপরেই তাঁকে 'রিভাইভ' করা সম্ভব হয়েছে বলে হাসপাতালের তরফে জানানো হয়েছে। যদিও এই কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট অভিনেত্রীর স্বাস্থ্যের উপর নতুন সংকট তৈরি করেছে বলেই মনে করছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তবে এই মুহূর্তে অবস্থা স্থিতিশীল, জানাল হাসপাতাল।
ক্রমাগত মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে যাচ্ছেন অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা শর্মা (Aindrila Sharma)। তাঁর সুস্থ হয়ে ওঠার কামনা করে প্রাথনা করছে তাঁর অনুরাগী থেকে পরিবার পরিজনেরা। আর এরই মাঝে তাঁকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র (Madan Mitra)।
ঐন্দ্রিলার বিশেষ বন্ধু সব্যসাচী টেলিভিশন মাধ্যম থেকে জানালেন, 'ঐন্দ্রিলা ফিরছে'। হয়তো বিপদ কাটেনি। তবে মৃত্যুর চোখে চোখ রেখে লড়াইয়ে পাল্লা ভারি জীবনের দিকে। কী অবস্থা ঐন্দ্রিলার? সব্যসাচী অসংখ্য সাধারণ মানুষের প্রার্থনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে লিখেছেন, "ঠিক রাত আটটায় যখন আমি বিমর্ষমুখে নিচে দাঁড়িয়ে, হঠাৎ হাত নড়ে ওঠে ঐন্দ্রিলার।"
টানা ১৩দিন ধরে লাগাতার মৃত্যুর সাথে লড়াই করে চলেছেন অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা শর্মা (Aindrila Sharma)। বর্তমানে তাঁর পরিস্থিতি ক্রমাগত জটিল হচ্ছে। রক্তচাপ ওঠানামা করছে। আর সংক্রমণের জন্য চলছে কড়া ওষুধ। বর্তমানে অভিনেত্রীর চোখ খুলছেন না এবং ক্রমশ অসাড় হয়ে গেছে।