বৃহস্পতিবার এই ফের ইডি আদালতে খারিজ হল প্রাক্তন মন্ত্রীর জামিনের আর্জি। আদালতের অর্ডার কপিতে তাঁর প্রসঙ্গে উল্লেখ করা হল, 'মোস্ট ইনফ্লুয়েন্সিয়াল পার্সন'।
পার্থ চট্টোপাধ্যায়, তৃণমূল কংগ্রেসে তাঁর গুরুত্ব এবং দায়িত্ব কতটা ছিল একথা বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু বিগত এক বছরে পরিস্থিতির বিশাল বদল ঘটেছে। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হয়ে মন্ত্রীত্ব ও দলের পদ হারিয়েছেন তিনি।
দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সবসময়েই বলে এসেছেন আইন আইনের পথে চলবে, অপরাধ করলে শাস্তি পেতে হবে। তাঁদের কথাই শেষ পর্যন্ত মিলে গেল! বাগ কমিটির প্রধান জানালেন, তদন্তে কোনও রাজনৈতিক চাপ আসেনি। এমনকি রাজ্য সরকার সবরকমভাবেই সাহায্য করেছে।
গত বছর ২১ জুলাইয়ের পর বাংলার শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের উপর দিয়ে কার্যত ঝড় বয়ে গেছে। কারণ এই সমাবেশের পরই নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তারপরই তাঁকে দলের সমস্ত পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এই বছর ইতিমধ্যেই ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। তবে তার আগে বড় পদক্ষেপ তৃণমূলের।
‘সততার প্রতীক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চাঁদে কলঙ্ক থাকতে পারে, কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও দাগ নেই। কাউকে বিশ্বাস করাটা ভুল নয়, কাউকে বিশ্বাস করাটা অন্যায় নয়। তিনি বিশ্বাস করেছিলেন, ঠকেছিলেন, ভরসা করেছিলেন। এত বড় অর্গানাইজেশন বিশ্বাস ছাড়া চলে না।
উদ্ধার হওয়া টাকা কার? জবাবে পার্থ কিছুটা অধৈর্য ভাবেই জবাব দেন, তাঁর নয়। তবে এক বার নয়। এক টানা তিন বার একই জবাব দেন পার্থ। যদিও বলেওনি টাকা যদি তাঁর না হয় তাহলে কার! দুদিন আগেই এই জোকা ইএসআই হাসপাতালে ঢোকার মুখে পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেছিলেন
গতকালই পার্থ খুইয়েছেন মন্ত্রীত্ব, হারিয়েছেন দলের সবকটি পদ। আশা করা হচ্ছিল সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে কিছু বলবেন তিনি। কিন্তু তেমনটা হয়নি। এমনকি কুণাল ঘোষ যে কথা জোর দিয়ে বলেছিলেন, ‘কথা বলার সুযোগ পেয়েও কেন পার্থ বলছেন না আমি নির্দোষ।