এই বিতর্কের প্রভাব জোটের ঐক্য এবং ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে কেমন হবে তা নিয়ে রাজনৈতিক মহল এখন গভীর পর্যবেক্ষণে। মমতার নেতৃত্বে যদি ইন্ডিয়া জোট গঠিত হয়, তাহলে তা দেশের রাজনৈতিক চিত্রে বড়সড় পরিবর্তন আনতে পারে।
বুধবার সংসদ চত্বরে হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে বাজেটের বিরোধিতায় সরব হতে দেখা গেল কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী, সনিয়া গান্ধী থেকে শুরু করে তৃণমূলের কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, দোলা সেন প্রমুখদের। 'ইন্ডিয়া' জোটের মতে, এই বাজেট কুর্সি বাঁচাও বাজেট! উল্লেখ্য, বাজেটের বিরোধিতায় আগামী ২৭ জুলাই নীতি আয়োগের বৈঠকও বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কংগ্রেস নেতৃত্ব।
তৃণমূলের অভিযোগ, তাঁদেরকে না জানিয়েই কংগ্রেস কে সুরেশকে স্পিকার পদে মনোনীত করেছে। এখন গুঞ্জন, তাহলে কি কংগ্রেস মনোনীত প্রার্থীকে সমর্থন করবে না তৃণমূল?
প্রথম দিন রেল দুর্ঘটনা থেকে প্রশ্নফাঁস, একাধিক ইস্যুতে এনডিএ সরকারকে চাপে ফেলতে এককাট্টা দেখা গেল ইন্ডিয়া জোটের সাংসদদের। সংসদের ভিতরে যখন চলল শপথগ্রহণ, ঠিক তখনই বাইরে হাতে সংবিধান নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করলেন বিরোধীরা।
দলিত সম্প্রদায়ের ভোট নিজেদের ঝুলিতে রাখতে চন্দ্রবাবু চান জিএমসি বালাযোগী ছেলে হরিশ মাথুর বালাযোগীকে স্পিকার করা হোক। টিডিপি-র প্রার্থীকে যদি এনডিএ বা মোদী সরকার নির্বাচিত করে তাহলে তাঁকেই সমর্থন করবে 'ইন্ডিয়া'। এমনকি এই বিষয়ে চন্দ্রবাবুর সঙ্গে যোগাযোগও রাখছে বিরোধী জোট।