নজরবন্দি ব্যুরো: ফেটসুর বৈঠকে ফের ঘেরাও যাদবপুরে, বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আগের বহুবারের মতো এবারও ঘেরাও হলেন যাদবপুরের উপাচার্য। সাধারণ ছাত্রছাত্রী রা তাদের দাবি নিয়ে ঘেরাও করলেও পরিবেশ পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যায়। ঘটনায় বিক্ষুদ্ধ উপাচার্য এবং দুই সহ – উপাচার্য, তিনজনে পদত্যাগ করার কথা জানান। করোনা কালে বাকি সব স্কুল কলেজের মতোই দীর্ঘদিন বন্ধ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস।
আরও পড়ুন : ফেটসুর বৈঠকে ফের ঘেরাও যাদবপুরে, বিক্ষুব্ধ সুরঞ্জন ছাড়তে চান উপাচার্যের পদ।


নানা সময় বিশ্ববিদ্যালয় এর সিদ্ধান্তকে ধিক্কার জানাতে সোশ্যাল মিডিয়া বেছে নিলেও এবার সরাসরি ক্যাম্পাসে এসে ঘেরাও করে ইঞ্জিনিয়ারিং এর ছাত্র সংসদ ফেটসু। ভর্তি এবং পরীক্ষা মাধ্যমে গাফিলতি,ফল প্রকাশে ঢিলেমি এসবের কারণে ৯ এবং ১৬ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় এর সহ উপাচার্য এবং অন্যান্য কর্তাদের ঘেরাও করেন। সবকিছু বিবেচনা করে অনলাইনের প্রক্রিয়াকে আরো ভালোভাবে তৈরি করেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তিপক্ষ। ছাত্র সংসদ ফেটসুর দাবি ছিল প্রক্রিয়া অনলাইনে হলেও দাবি দাওয়ার বৈঠক হবে সামনা সামনি। সেই ভিত্তিতে সহ উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য্য সহ কিছু শিক্ষক আসেন ক্যাম্পাসে এবং উপাচার্য সহ কিছু শিক্ষক ভার্চুয়ালি যোগ দেন বৈঠকে।
বেলা ২থেকে রাত্রি ৯ টা পর্যন্তও বৈঠক চললেও সমাধান হয়নি সমস্যার। এরপরই রাতেই বিক্ষুদ্ধ ছাত্ররা ঘেরাও করে বৈঠক কক্ষ। পরিস্থিতি এতোটাই হাতের বাইরে চলে যায় যে ইস্তফা প্রকাশের কথা জানান বিক্ষুব্ধ উপাচার্য। উপাচার্য জানিয়েছেন “ছাত্র – ছাত্রীদের বক্তব্যকে গুরুত্ব দিতে অনলাইনের বদলে ক্যাম্পাসে বৈঠক ডাকা হয়েছিল” কিন্তু তাতে ছাত্রছাত্রীদের ব্যবহারকে তিনি কার্যত “বিশ্বাসভঙ্গের নামান্তর” বলে উল্লেখ করেছেন এদিন। তিনি এও জানান এই পরিস্থিতিতে ২জন সহ উপাচার্য সহ তিনি আর পদে থাকতে চাইছেন না।
ফেটসুর বৈঠকে ফের ঘেরাও যাদবপুরে, ছাত্রছাত্রীদের দাবি দাওয়া এবং সাধারণের স্বার্থে যাদবপুর সহ রাজ্যের নানা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘেরাও নতুন নয়। কিন্তু যেভাবে করোনা কলেও ক্যাম্পাসে বৈঠকের কথা বলে আচমকা ঘেরাও করা হয়েছে, তাতে ক্যাম্পাসে বৈঠক করতে আসতে রাজি হচ্ছেন না কেউই। এদিকে সহ উপাচার্য সহ নিজের ইস্তফার কথা ঘোষণা করেন যাদবপুরের উপাচার্য সুরঞ্জন দাস।









