নজরবন্দি ব্যুরো: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় চলতি মাসের শুরুতেই তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করে ইডি। পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচির জন্য হাজিরা এড়িয়ে যান তিনি। এরপরই এই মামলায় সমন পাঠানো হয় তাঁর স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বুধবার সময়ের আগেই ইডি দফতরে পৌঁছে যান অভিষেক পত্নী।
আরও পড়ুন: বৃষ্টি থামতেই ভ্যাপসা গরম, মহালয়ার আগে আবহাওয়া বদলের সম্ভাবনা!
কেন্দ্রীয় তদন্তকারী ইডির পাঠানো নোটিস অনুযায়ী, বুধবার সকাল ১১ টায় সিজিও কমপ্লক্সে হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল রুজিরাকে। এদিন সময়ের আগেই তাঁকে ইডি দফতরে ঢুকতে দেখা যায়। একটি সাদা গাড়িতে এসেছিলেন তিনি। সিজিও-তে ঢুকেই চলে যান ৬ তলায় ইডির অফিসে। রুজিরার আসার আগেই এদিন সকাল থেকে সিজিও কমপ্লেক্স নিরাপত্তা চাদরে মুড়ে ফেলা হয়। অভিষেকের সংস্থা লিপস অ্যান্ড বাউণ্ডসের নাম জড়িয়েছে নিয়োগ মামলায়। মোটা টাকার দুর্নীতি হয়েছে বলেও দাবি তদন্তকারীদের। সেই সংক্রান্ত জিজ্ঞাসাবাদ রুজিরাকে করা হবে বলে খবর।

এর আগে কয়লা পাচার মামলায় অভিষেকের পাশাপাশি রুজিরার নাম জড়িয়েছিল। তদন্তের স্বার্থে তাঁকে একাধিকবার তলব করা হয়েছে। কয়েকমাস আগেই বিমানবন্দরে আটকে তাঁর হাতে নোটিস ধরানো হয়। এবার নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এই মামলায় এটাই প্রথম তলব রুজিরাকে। সম্প্রতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, তাঁর মা লতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বাবা অমিত বন্দ্যোপাধ্যায়কেও তলব করে নোটিস পাঠানো হয়েছিল। তবে অভিষেকের মা ইতিমধ্যেই ইডির কাছে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছেন তিনি হাজিরা দিতে পারবেন না।

উল্লেখ্য, মৌলিক অধিকার খর্ব হচ্ছে এই অভিযোগ তুলে রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালতে রুজিরা তাঁর মামলায় উল্লেখ করেন, তাঁকে এবং তাঁর স্বামীকে জড়িয়ে সকল তদন্ত সামনে রেখে মিথ্যে, অর্ধসত্য খবর প্রকাশিত হচ্ছে। তাঁদের মৌলিক অধিকার হরণ করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ। এই দাবি করেই রক্ষাকবচ চেয়েছেন তিনি। যদিও সিবিআইয়ের পাল্টা সওয়াল রুজিরা নিজেকে থাইল্যান্ডের নাগরিক বলে পরিচয় দিয়েছেন। ভারতীয় সংবিধান মেনে তাঁকে রক্ষাকবচ দেওয়া সম্ভব নয়। এর উত্তরে রুজিরার আইনজীবী বলেন, “১৪ ও ২১ নম্বর অনুচ্ছেদে শুধুমাত্র ভারতীয় নাগরিকদের রক্ষাকবচ দেওয়ার কথা বলা নেই।”
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় রুজিরাকে তলব, সময়ের আগেই ED দফতরে অভিষেক ঘরণী




