নজরবন্দি ব্যুরোঃ রেশন সামগ্রী পাচার থেকে ধান বিক্রি জালিয়াতি, দুর্নীতির অভিযোগ রাজ্য জুড়ে। একদিকে দেবাঞ্জন দেবের জালিয়াতির বহরে বাক্রুদ্ধ গোটা রাজ্য এরই মধ্যে বিভিন্ন জায়গায় ধরা পড়ছে দুর্নীতির ছবি। প্রথম ঘটনার কেন্দ্র পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুরের উত্তরবার গ্রাম যেখানে গ্রামবাসীরা বেশ কিছুদিন ধরে অভিযোগ করে আসছিল বরাদ্দের থেকে কম রেশন দিয়ে বাকি জিনিষ চরা দামে কালোবাজারি করা হচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ পাহাড়ে চড়ছে পারদ, প্রবল পরাজয়ের পর কামব্যাকের প্রস্তুতি শুরু গুরুং-এর।


শনিবার পাচার হওয়ার আগে হাতেনাতে রেশন সামগ্রীবোঝাই মিনিডোর আটকালেন তাঁরা। গাড়ি আটকে চলল গ্রামবাসীদের বিক্ষোভ। যাতে ছিল ৪০ বস্তা রেশন সামগ্রী। একথা স্বীকার করে স্থানীয় বিডিও অনির্বান সাহু বলেন “ঘটনা সত্যি, পুলিশ চালককে আটক করেছে। খাদ্য দফতরকে জানিয়েছি। যাতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।” অন্যদিকে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা রেশন ডিলার হাফিজুর রহমানকে গ্রেফতারের দাবি তুললেও তাঁকে এখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাঁকে খুঁজছে পুলিশ। ঘটনার কথা মেনে নিয়ে জেলা খাদ্য দফতরের আধিকারিক জানিয়েছেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
দোষীদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যদিকে, ধান বিক্রিকে কেন্দ্র করে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া ও কালনা মহকুমায় ৬টি কৃষি সমবায়ের বিরুদ্ধে লক্ষ লক্ষ টাকার নয়ছয়ের অভিযোগ উঠল। ঘটনার স্বীকার করেছে জেলা সমবায় দফতর। অভিযোগ, কৃষি সহায়ক মূল্যে কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ধান না কিনে, সমিতির নামে ভুয়ো চালান তৈরি করে রাইস মিলের সঙ্গে যোগসাজশে লক্ষ লক্ষ টাকা নয়ছয় করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের নির্দেশে তদন্তে নেমে শোকজ করা হয়েছে ৬ সমবায় সমিতির সম্পাদককে।
রেশন সামগ্রী পাচার থেকে ধান বিক্রি জালিয়াতি, দুর্নীতির অভিযোগ রাজ্য জুড়ে। এক সমবায় সমিতির সম্পাদক পরেশনাথ ভট্টাচার্যর সাফাই, রাজনৈতিক চাপে নিতে বাধ্য হয়েছি। রাইস মিল আমাদের কাছে ব্ল্যাঙ্ক কাগজে সই করিয়ে নিয়েছে। এদিকে এই নিয়ে ইতিমধ্যেই তৃণমূলের দিকে আক্রমন শানিয়েছে বিজেপি।









