নজরবন্দি ব্যুরোঃ শুক্রবার জিটিএ নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন। এরপর থেকেই ক্রমাগত বদলাচ্ছে পাহাড়ের পরিবেশ। নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করতেই অনশনে বসেছিলেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সুপ্রিমো বিল গুরুং। এবার তাঁর পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিলেন বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্ত। তাঁর সাফ বাররা, সর্বশক্তি দিয়ে নির্বাচন রুখব। বিমল গুরুংয়ের আন্দোলনের পাশে রয়েছি। আমি নিজে তাঁকে খাদা পরিয়ে স্বাগত জানাব।
আরও পড়ুনঃ Rajya Sabha Elections 2022: এবার রাজ্যসভার সদস্য লালু কন্যা, ঘোষণা করল RJD


বিজেপি সাংসদের কথায়, পাহাড়ের সমস্যার সমাধান আগে হওয়া উচিত। কয়েক দশক ধরে পাহাড়ে পঞ্চায়েত নির্বাচন করানো হয়নি। কার্শিয়াং এবং কালিম্পং নির্বাচন এখনও অনেক বাকি। গায়ের জোরে এই সরকার নির্বাচন করিয়ে অনুগামীদের মসনদে বসাতে চাইছে। সমস্ত রিপোর্ট দিল্লিকে দেবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

এমনিতেই জিটিএ নির্বাচনের বিরোধিতা জানিয়ে সিংমারির দলীয় অফিসের সামনে অনশন শুরু করেছেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার নেতা বিমল গুরুং। আজ সেই অনশন তিন দিনের মাথায় পড়েছে। পাহাড়ে একাধিক রাজনৈতিক দলের উত্থানে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সমর্থন আগের তুলনায় কমে গেছে এমনটাই আঁচ করতে পেরেছেন বিমল ব্রিগেড। এমত অবস্থায় বিজেপিকে পাশে পেয়ে ভোল বদলাবেন বিমল গুরুং? প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলের।
জিটিএ নির্বাচন নিয়ে রাজ্য সরকারের কাছে আগেই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন বিমল গুরুং। সরকারের কথা ছিল তরাই এলাকার ৩৯৬ টি মৌজা জিটিএর অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। কিন্তু সেই দাবি মানা হয়নি। সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে না। আমি চাই দ্রুত এ বিষয়ে সরকার হস্তক্ষেপ করুক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে বলেছিলেন পাহাড়ে স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধান করবেন। সেকথা কেন্দ্র সরকার আমাদেরকে আগে বলেছিল। কিন্তু কেন্দ্র সরকারের ওপর আমাদের কোনও আস্থা নেই। এখন এই সরকারও কর্ণপাত করতে চায় না। তাই আমি আমরণ অনশন কর্মসূচি চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। গুরুং আশাবাদী, ২০২৪ এবং ২০২৬ এর জন্য সুসম্পর্কের কথা ভেবে শরীক দল সিদ্ধান্ত নেবে।


বিমল গুরুংয়ের আন্দোলনের পাশে রয়েছি, দেখা করবেন রাজু

কিন্তু তিন দিনের মাথাতেও এখনও শাসক দলের তরফে কোনও বার্তা পৌঁছায়নি। তাই অনশন জারি রেখেছেন গুরুং। জিটিএ নির্বাচন রুখতে সমস্ত দলকে স্বাগত জানিয়েছিলেন তিনি। সেই প্রস্তাবে সাড়া দিয়ে এয়াব্র এগিয়ে আসবে বিজেপি। যদি তা হয়, সেক্ষেত্রে আরও একবার গরম হতে পারে পাহাড়।







