নজরবন্দি ব্যুরোঃ কয়লা কাণ্ডে অর্জুন ঘনিষ্ঠ বিজেপি নেতাকে নিয়ে চরম বিপাকের মুখে পড়ল বিজেপি নেতৃত্ব। সোমবার সকালে পুরোনো একটি মামলায় হাজিরা দিতে গিয়ে বাঁকুড়া আদালতে গ্রেফতার হন কয়লা মাফিয়া এবং BJP নেতা রাজু ঝা। তাঁকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত। কিন্তু ৩ দিন কাটতে না কাটতেই বিজেপি নেতা রাজুর কাস্টিডি পেল সিআইডি। এদিন রাজু কে ৭ দিনের পুলিশ কাস্টিডি দিয়েছে আদালত। একদিকে যখন শুভেন্দু অধিকারী সহ বিজেপি সর্বস্তরের নেতারা তৃণমূলের সাথে কয়লা পাচার কে সমার্থক করে দেওয়ার চেষ্টা করছেন প্রচারের মাধ্যমে তখন খোদ সর্ষের মধ্যে ভূতের মত খোঁজ পাওয়া গেল কয়লা মাফিয়া তথা বিজেপি নেতা রাজু ঝা-এর।
আরও পড়ুনঃ “BJP ভাবলো নির্বাচনের আগে মমতার পা-টা চোট করে দিই”- এগরায় বিস্ফোরক মুখ্যমন্ত্রী।


উল্লেখ্য, ২০০৫ সালে রাজু ঝা নামে চোরাই কয়লা সংক্রান্ত একটি মামলা ছিল। সেই মামলায় রাজু নিজে উপস্থিত না-হয়ে অন্য একজনকে আদালতে পাঠিয়েছিলেন। ওই ব্যক্তি রাজু নয় বলে সন্দেহ হওায় পরিচয়পত্র দেখাতে বলা হলে ধরা পড়ার ভয়ে সে পালিয়ে যায়। এর পরেই রাজুর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। এদিকে ২০২১ বিধানসভা নির্বাচন আসন্ন। পশ্চিম বর্ধমানের কোনও একটি আসনে রাজুকে প্রার্থী করতে চেয়েছিল বিজেপি। সূত্রের দাবি, সে কারণেই পুরোনো মামলায় জামিন নিতে সোমবার বাঁকুড়া আদালতে গিয়েছিলেন রাজু। সেখানেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।
আরও পড়ুনঃ প্রচারে বেরিয়ে ভবানীপুরে প্রবল বিক্ষোভের মুখে বাবুল সুপ্রিয়।
কয়লা কাণ্ডে অর্জুন ঘনিষ্ঠ রাজু গ্রেফতার হওয়ায় ভোটের মুখে বিড়ম্বনায় পড়েছে বিজেপি। কারন কয়েকমাস আগে এই কয়লা মাফিয়া দুর্গাপুরের পলাশডিহা ময়দানে রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ এবং সাংসদ অর্জুন সিংয়ের উপস্থিতিতে গেরুয়া শিবিরে যোগ দেন। তবে শুধু রাজু নয়, তাঁর হাত ধরে একাধিক ছোট ও মাঝারি মাপের চোরাই কয়লার কারবারিরা সেদিন যোগ দিয়েছিলেন বিজেপিতে। এরপরেই সক্রিয় রাজনীতিতে মাঠে নামেন রাজু। উদ্দেশ্য ছিল বিধায়ক হওয়ার। পশ্চিম বর্ধমানের বিভিন্ন এলাকায় দলের মিটিং-মিছিলে দেখা যাচ্ছিল রাজুকে। শুধু তাই নয়, দুর্গাপুর জুড়ে রাজু ঝা নিজের ছবি দেওয়া ফ্লেক্স ও পোস্টার লাগিয়ে দেন বিজেপির কর্মী হিসেবে।









