নজরবন্দি ব্যুরো: বিশ্বভারতী আত্মনির্ভর ভারতের পথিকৃৎ, শুরু হল বিশ্বভারতীর শতবর্ষ উদ্বোধন অনুষ্ঠান। আজ, ৮ ই পৌষ বিশ্বভারতীর প্রতিষ্ঠা দিবস। এবার ১০০ বছরে পা দিল বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়। করোনা আবহে পৌষমেলা করা সম্ভব হচ্ছে না বলে আগেই জানিয়ে দিয়েছিল বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। তাই বৃহস্পতিবার তার শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি উপস্থিত প্রধানমন্ত্রী তথা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য নরেন্দ্র মোদী।
আরও পড়ুন: বড়দিনের আগেই উপত্যকায় সাফল্য সেনার, জম্মু কাশ্মীরে গ্রেফতার আল-বদরের চার জঙ্গি


এদিন সাত-সকালেই বিশ্বভারতীতে পৌঁছেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। গতকাল থেকেই কড়া নিরাপত্তার বলয়ে ঢেকে ফেলা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর। রয়েছে বিশ্বভারতীর নিজস্ব নিরাপত্তা বাহিনী। সর্বস্তরে নজরদারি চালাচ্ছেন তাঁরা। আশ্রমিক ও বিশ্বভারতীর সঙ্গে যুক্ত যাঁরা, কেবল তারাই ঢোকার অনুমতি পেয়েছেন। অনুষ্ঠান শেষে ভারততীর্থ নামের একটি মার্কেট কমপ্লেক্সের উদ্বোধন করবেন রাজ্যপাল, জগদীপ ধনকড়।
আজ বক্তৃতার শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী বলেন “নমস্কার হে বিধাতা দাও দাও মোদের গৌরব দাও। গুরুদেব কখনও ছাত্রদের কথা ভেবে এ কথা বলেছিলেন। আজ সারা দেশ এই কথা বলে আমাদের সঙ্গে। আমি ভাগ্যবাণ এই পূণ্যলগ্নে আমিও সামিল হতে পেরেছি। এ এক আরাধ্য স্থল। নতুন ভারত নির্মাণের জন্য বিশ্বভারতীর নিত্য নতুন প্রয়াস রয়েছে। আমি খুশি বিশ্বভারতী, শ্রীনিকেতন ও শান্তিনিকেতন অনবরত সেই লক্ষ্য ছুঁয়ে চলেছেন গুরুদেব যার স্বপ্ন দেখেছেন। প্রকৃতির সঙ্গে মিশে এক উদার শিক্ষার পাঠ দেয় বিশ্বভারতী। এই প্রতিষ্ঠান দেশকে শক্তি জুগিয়েছে। ভারতে স্বাধীনতার কথা বলি তখন সোজা আমাদের উনিশ শতকের কথা মনে হয়। কিন্তু এর বীজ অনেক গভীরে।“
বিশ্বভারতী আত্মনির্ভর ভারতের পথিকৃৎ, এদিন প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে চৈতন্য মহাপ্রভু থেকে রামদাস, কবীর থেকে তুলসীদাসদের কথাও তুলে আনেন। পাশাপাশি স্বামী বিবেকানন্দকে ভক্তি আন্দোলনের ফসল বলেও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “আপনাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম দেখুন বিশ্ব আর মা ভারতী। বিশ্বভারতী আত্মনির্ভর ভারতের পথিকৃৎ। আত্মনির্ভর ভারতের বিকাশে আত্মবিশ্বাসের জন্ম দেয় বিশ্বভারতী। আমাদের কৃষি-বাণিজ্য-শিক্ষাকে আত্মনির্ভর দেখতে চাইতেন গুরুদেব। গুরুদেবের চিন্তনজুড়ে আমাদের আত্মশক্তির নির্মাণই ছিল। ভারতের আত্মনির্ভরতা , আত্মসম্মান জড়িয়ে আছে একে অন্যের সঙ্গে।“









