নজরবন্দি ব্যুরোঃ বিসিসিআইয়ের সভাপতি পদ থেকে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে সরিয়ে দেওয়ার পর থেকেই সুর চড়িয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর প্রশ্ন কেন সৌরভকে সরিয়ে দেওয়ার পর জয় শাহকে রাখা হল? এবার মমতাকে নিশানা করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামণিক। কেন বাংলার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর শাহরুখ? মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশ্ন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর।
আরও পড়ুনঃ গোয়া আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে মহানন্দা এবং টনিক, আনন্দিত পরিচারকদ্বয়


তিনি বলেন, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় আমাদের গর্ব। প্রত্যেকটি কাজের উপযুক্ত সময়সীমা রয়েছে। সময়কাল রয়েছে। আর সুযোগ প্রত্যেককেই দেওয়া হবে। আমরাই সবচেয়ে বেশী খুশি হবো যে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় যদি আরও ভালো কোনও জায়গায় যান। সত্যি কথা বলতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তো কথা বলার জন্য বলেন। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের মনে যদি আবেগ থেকে থাকত, তাহলে অন্তত শাহরুখ খানকে বাংলার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর না করে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে করলেন না কেন?

উল্লেখ্য, সৌরভকে আইসিসি পদের জন্য পাঠানো হোক। উত্তরবঙ্গ সফরের আগে এমনটাই দাবি করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর উত্তরবঙ্গ থেকে ফিরে ফের সরব হন সৌরভের বিষয়ে। তিনি বলেন, তোমরা দেখেছ আমি ওকে নিয়ে প্রশ্নও করেছি। ও ভেরি মাচ এনটাইটেলড ছিল। তিনবার ডিরেক্টর ছিল। ওকে পাঠালে দেশের গৌরব বাড়ত। জগমোহন ডালমিয়াও তো হয়েছিল। শরদ পাওয়ারও তো হয়েছিল। তাহল কোন এক অজ্ঞাত কারণে আজকে সৌরভের মতো ছেলেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। পজিশন রেখে দেওয়া হয়েছে অন্য কারোর জন্য রিজার্ভ করে।
মুখ্যমন্ত্রীর প্রশ্ন, কোন অজানা কারণে? নিজস্ব স্বার্থপরতার কারণে দেশের সত্যিকারের যারা ক্রিড়াপ্রেমী মানুষ, তাঁদেরকে বঞ্চিত করে, একয়াজ করতে পারে? আজ শচীন তেণ্ডুলকর এই জায়গায় থাকলে আমি শচীনকে সমর্থন করতাম। আজাহার থাকলে আজাহারকে সমর্থন করতাম। আমরা ক্রিকেটটাকে সর্বদা ইন্ডিয়া হিসাবে দেখি। আজ সৌরভ ভদ্র ছেলে বলে কিছু বলেনি। মুখ বুজে ওর যে ব্যাথা হয়েছে, সেই ব্যাথা বুঝতে দেয়নি। কিন্তু এটাকে আমরা সহজভাবে নিচ্ছি না। লজ্জাহীন রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র এটা। কোনও একজন ব্যক্তিকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে।


কেন বাংলার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর শাহরুখ? কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর প্রশ্নে তোলপাড়

মুখ্যমন্ত্রির এই বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলের শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। ভারতীয় দলের প্রাক্তন ক্রিকেটার অশোক দিন্দার প্রশ্ন, ২০১১ সালে যখন সমস্ত বাঙালিদের কেকেআর থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল, তখন মুখ্যমন্ত্রী কোথায় ছিলেন? এই মুহুর্তে সমস্ত ক্রিড়া জগতের মাথায় রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যরা। উনি এবিষয় নিয়ে মুখ না খোলাই ভালো।







