নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্যে ধানমন্ত্রী আবাস যোজনা ১০০ দিনের কাজ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এই প্রকল্প খতিয়ে দেখতে বেশ কয়েকবার কেন্দ্রীয় দল পাঠিয়েছে মোদি সরকার। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা এবং ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পে টাকার দেখা নেই। এই পরিস্থিতির মধ্যেই গ্রামের রাস্তা তৈরিতে জোর দেওয়ার নির্দেশ দিল নবান্ন।
আরও পড়ুনঃ শান্তনু ও কুন্তলের সঙ্গে অভিনেতা-অভিনেত্রীদের যোগ, খুঁজে বেড়াচ্ছে ইডি


সূত্রের খবর, প্রতিটি জেলা প্রশাসনকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে খুব শীঘ্রই দুই থেকে তিন হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ হতে চলেছে এই খাতে। তাতে গ্রামীণ সব রাস্তার কাজ সেরে ফেলতে হবে। এবং সময়সীমা প্রতিটি জেলা পাবে মাত্র দু থেকে আড়াই মাস। কারণ সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোট এপ্রিলের শেষ বা মে মাসের শুরুতে।

পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে পদক্ষেপ শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। যদিও সরকারিভাবে এখনো ঘোষণা করা হয়নি পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিনক্ষণ। পর্যবেক্ষকদের মতে সরকারি সমীক্ষায় ধরা পড়েছে গ্রামীণ মানুষের দাবী চাহিদা সবচেয়ে বেশি আবাস যোজনার বাড়ি। কিন্তু বরাদ্দ টাকা না আসায় নিজের অংশের টাকাও দিতে পারছেনা রাজ্য সরকার।
এই পরিস্থিতিতে ভোটের আগে বাড়ি তৈরি করে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না রাজ্য সরকারের। রাজ্যবাসীর সেই উষ্মা ভোট বাক্স পড়তে পারে আর সেই কারণেই সংকটের মধ্যেও রাস্তা তৈরির কাজে বিপুল অর্থ বরাদ্দ করতে চলেছে রাজ্য সরকার। এই বিষয় নিয়ে পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ প্রদীপ মজুমদার বলেন, “যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কাজগুলি আমরা শেষ করতে চাই নতুন রাস্তা হবে মানুষের খুব সুবিধা হবে “।



তবে এত অল্প সময়ের মধ্যে কিভাবে রাস্তার কাজ হবে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে প্রশাসনের ভেতরেই। আধিকারিকদের অনেকের বক্তব্য অর্থ কমিশনের কাজগুলি মার্চের মধ্যে শেষ করার চাপ রয়েছে জেলা গুলির উপর। তাতে আরও চাপ বাড়বে তা বোলার অপেক্ষা রাখে না। কারণ টেন্ডার প্রক্রিয়া নির্বাচিত ঠিকাদারদের দিয়ে কাজ করাতে হবে। রাস্তার গুনমান ঠিক রাখতে হবে। তার জন্য চালাতে হবে নিয়মিত নজরদারি।
পঞ্চায়েত ভোটের আগে বিপুল অর্থ বরাদ্দ রাস্তার কাজে, সময় বেঁধে দিল নবান্ন

সেক্ষেত্রে ৪০ থেকে ৬০ দিন নিতান্তই কম সময়। কিন্তু সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। আর ভোট বড় বালাই। ভোটের আগে রাজ্যবাসী যাতে ওভাবেই উস্মা প্রকাশ করতে না পারে সেই কারনেই এই ব্যবস্থা বলে মনে করছেন বিরোধীদের অনেক নেতা। এখন দেখার নির্বাচনের আগে প্রকল্পগুলি সঠিকভাবে রূপায়িত করা যায় আর সেইটা একটা চ্যালেঞ্জ ও বটে।







