নজরবন্দি ব্যুরোঃ মোদী সরকারের ‘চুক্তিভিত্তিক অস্থায়ী সেনা’ নিয়োগ বা অগ্নিপথ প্রকল্পের বিরোধিতায় রণক্ষেত্র হয়ে উঠল বিহার। বুধবারের পর বৃহস্পতিবারেও রেল এবং সড়ক অবরোধ জারি রয়েছে। পরিস্থিতি এতটাই রণক্ষেত্র আকার নেয় যে জমায়েত ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করতে হয় পুলিশকে।
আরও পড়ুনঃ কয়েক ঘন্টার মধ্যেই দক্ষিণে প্রবেশ বর্ষার, উত্তরে রইল ভারী বর্ষণের সতর্কতা


জাহানাবাদে এদিন চলছিল রেল অবরোধ। সেখানে ছাত্রদের জমায়েত ছত্রভঙ্গ করতে উপস্থিত হয় পুলিশ। কিন্তু পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর, ইঁট ছোঁড়া শুরু হয়। এমনকি বেশ কিছু ছবিতে পুলিশকেও পাল্টা পাথর ছুঁড়তে দেখা যায়। বন্দুক তুলে ছাত্রদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করে পুলিশ।

নওয়াদাতে রাস্তার ওপর টায়ার জ্বালিয়ে শুরু হয় বিক্ষোভ। চুক্তিভিত্তিক অস্থায়ী সেনা নিয়োগের প্রতিবাদে চলে স্লোগান। জাতীয় সড়কের পাশাপাশি রেললাইনের ওপরেও টায়ার জ্বালিয়ে চলে অবরোধ কর্মসূচি। বেশ কিছু সরকারী সম্পত্তি নষ্ট করার অভিযোগ ওঠে। বারবার মাইকিং করে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার অনুরোধ জানায় পুলিশ৷ একই ছবি সারসা এবং আরা জেলাতেও। আরাতে জমায়েত ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করতে হয় পুলিশকে।
শুধুমাত্র বিহার নয়, রাজস্থান, উত্তপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র এবং হরিয়ানাতেও শুরু হয়েছে বিক্ষোভ। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, যুবকদের চাকরির বড় ভরসা হল ভারতীয় সেনা। গরিব ও নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের তরুণরা সেনার চাকরিকে বেছে নেন। কিন্তু অগ্নিপথ প্রকল্পে নিয়োজিত চুক্তিভিত্তিক ‘অগ্নিবীর’দের চাকরি পাওয়ার চার বছরের মধ্যেই অবসর নিতে হবে।


অগ্নিপথ প্রকল্পের বিরোধিতায় রণক্ষেত্র বিহার, রাজ্যে রাজ্যে চলছে বিক্ষোভ কর্মসূচি

এককালীন কিছু টাকা মিললেও থাকবে না পেনশনের ব্যবস্থা। সে ক্ষেত্রে তাঁদের আবার নতুন করে চাকরির সন্ধান করতে হবে। অনিশ্চিত হয়ে পড়বে ভবিষ্যৎ। সঙ্গে রয়েছে জীবনের ঝুঁকি। এর ফলে দেশের নিরাপত্তায় প্রভাব পড়তে পারে।







