নজরবন্দি ব্যুরোঃ হিংসায় উস্কানি দিচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়! বিজেপির অভিযোগকে মান্যতা দিল নির্বাচন কমিশন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রচার ২৪ ঘন্টার জন্যে স্থগিত করা হল। বাংলায় নজিরবিহীন এই সিদ্ধান্তে কমিশনের বিরুদ্ধে বিজেপির পক্ষে পক্ষ পাতিত্বের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার পৌনে আটটা নাগাদ এই নির্দেশিকা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। তারপরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সিদ্ধান্ত নেন ধর্ণায় বসার।
আরও পড়ুনঃ কে বলেছিল ওনাকে নামাজ পড়তে, মমতা হল বেগম খালেদা জিয়া! নজিরবিহীন মন্তব্য শুভেন্দুর।


কমিশনের নির্দেশিকা পেয়ে মমতা ট্যুইট করেন। ট্যুইটে তিনি লিখেছেন, ‘নির্বাচন কমিশনের অগণতান্ত্রিক এবং অসাংবিধানিক সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আমি বেলা ১২টা থেকে গাঁধী মূর্তির পাদদেশে ধর্নায় বসছি’। কিন্তু কেন এই নিষেধাজ্ঞা? কমিশন সূত্রে খবর, মূলত হিন্দু মুসলমানে ভেদাভেদ করার চেষ্টা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই অভিযোগ পেয়ে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল মুখ্যমন্ত্রীকে আর তার পরেই প্রচারে নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত।
To protest against the undemocratic and unconstitutional decision of the Election Commission of India, I will sit on dharna tomorrow at Gandhi Murti, Kolkata from 12 noon.
— Mamata Banerjee (@MamataOfficial) April 12, 2021
সূত্রের খবর, তারকেশ্বরের জনসভায় মমতা বলেছিলেন, ‘‘সংখ্যালঘু ভোট ভাগ হতে দেবেন না। বিজেপি এলে মনে রাখবেন সমূহ বিপদ, সবচেয়ে বেশি আপনাদের।’’ নির্বাচন কমিশন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যে সাম্প্রদায়িক সুড়সুড়ির ইঙ্গিত পেয়েছে তাই নিষেধাজ্ঞা। কোনও জাত, পাত ধর্মের ভিত্তিতে ভোট চাওয়া আদর্শ নির্বাচনী আচরণবিধির পরিপন্থী। যদি কোনও প্রার্থীর বিরুদ্ধে এই বিষয়ে অভিযোগ প্রমাণিত হয়, তা হলে তাঁর প্রার্থীপদ খারিজও করা যেতে পারে বলে জানিয়ে কমিশন।
হিংসায় উস্কানি দিচ্ছেন মমতা! তাই কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী সোমবার রাত ৮ থেকে আগামীকাল মঙ্গলবার রাত ৮ টা পর্যন্ত কোনও প্রচার করতে পারবেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্বাচন কমিশনের সচিব রাকেশ কুমারের জারি করা নির্দেশে বলা হয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু তিনি জনসভায় যে বক্তব্য রাখছেন তা আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার জন্য বিপজ্জনক। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে অনুরোধ করা হচ্ছে এই ধরনের মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকতে। এবং তাঁর প্রচারের উপর ২৪ ঘণ্টার জন্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হচ্ছে।









