নজরবন্দি ব্যুরো: জি-২০ সম্মেলনের নৈশভোজে যোগ দিতে শুক্রবার দিল্লি রওনা দিচ্ছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার দিল্লি যাচ্ছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। এদিকে রাজধানীতে দুজনেই থাকবেন চাণক্যপুরী বঙ্গভবনে। বাংলায় রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত চরম রূপ নিয়েছে, এই পরিস্থিতিতে দিল্লিতে কি দুজনের দেখা হওয়া সম্ভব? উঠছে প্রশ্ন।
আরও পড়ুন: ভাঙড়ে ISF শিবিরে বড় ভাঙন, দল ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান কয়েকশো কর্মীর


জি-২০ সম্মেলন উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি আয়োজিত নৈশভোজে আমন্ত্রণ পেয়েছেন রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রী দুজনেই। দিল্লিতে কড়া নিরাপত্তা রাখা হয়েছে। স্কুল, কলেজ, অফিসে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। রাস্তায় গাড়ি চলাচলের ক্ষেত্রেও নিয়ন্ত্রণ থাকবে। তাই আজই দিল্লি যাচ্ছেন মমতা। সেখানে তিনি চাণক্যপুরী বাসভবনে থাকবেন। রাজ্যপাল দিল্লি যাবেন শনিবার। তিনিও থাকবেন চাণক্যপুরীতে। সেখান থেকেই নৈশভোজের অনুষ্ঠানে যাবেন। মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যপালের ঠিকানা এক, তাহলে কি দুজনের দেখা হতে পারে কিংবা বাংলার পরিস্থিতি নিয়ে দুপক্ষ রাজধানীতেই বৈঠক করতে পারেন? ইতিমধ্যেই কৌতূহল শুরু হয়েছে।

বাংলায় ক্রমেই বাড়ছে রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত। উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে রাজ্যপালকে আক্রমণ শানিয়েছে শাসক দল। অভিযোগ, কোনও আলোচনা ছাড়াই অভিজ্ঞতাহীন বিজেপি ঘেষা লোকেদের উপাচার্য করে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার বিধানসভায় ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’ এবং রাজ্য সঙ্গীত নিয়ে প্রস্তাব পাশ হয়েছে। সেইসময়েই বিধানসভায় দাঁড়িয়েই মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যপালকে নিশানা করে বলেছিলেন কেউ সই করল কী করল না, কিছু যায় আসে না।



উল্লেখ্য, ৯ ও ১০ সেপ্টেম্বর দিল্লির প্রগতি ময়দানে আয়োজিত হতে চলেছে জি-২০ সম্মেলন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আমন্ত্রণে ভারত সফরে আসছেন শেখ হাসিনা। দীর্ঘ চার বছর পর শেখ হাসিনা ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা হতে চলেছে। জি-২০ সম্মেলনের নৈশভোজের অবকাশে দুজনের মধ্যে আলাদা করে বৈঠকের সম্ভাবনা আছে।
দিল্লিতে মুখ্যমন্ত্রী-রাজ্যপালের ঠিকানা এক, সংঘাতের আবহে রাজধানীতে মুখোমুখি মমতা ও আনন্দ?








