নজরবন্দি ব্যুরোঃ যা বলার দিদিকেই বলব পাত্তা দিলেন না ফিরহাদ হাকিমের কথায়। তাই তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের ডাকা বৈঠককে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে আসানসোলের মেয়র তথা পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারি সাফ জানিয়ে দিলেন, যা বলার দিদিকেই বলবেন। গতকাল মঙ্গলবার কলকাতার ক্যামাক স্ট্রিটে আলোচনার জন্য তাঁকে ডেকে পাঠিয়েছিল তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। কথা ছিল, পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোরের সঙ্গে বৈঠক হবে। কিন্তু মঙ্গলবার সকালেই তিনি জানিয়ে দিলেন, বৈঠকের বিশেষ দরকার নেই। যা সমস্যা তা দলনেত্রীকেই জানাবেন। তাই তাঁর কাছে সময় চেয়েছেন।
আরও পড়ুনঃ সাময়িকভাবে হলেও কৃষি আইন প্রত্যাহার করা উচিত কেন্দ্রের,দাবি অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের।


যা বলার দিদিকেই বলব তিনদিনের সফরে এই মূহূর্তে উত্তরবঙ্গে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। ১৭ তারিখ মুখ্যমন্ত্রীর কলকাতা ফেরার কথা রয়েছে। তারপর ১৮ তারিখ পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়কের সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। সাংবাদিকদের এপ্রসঙ্গে জিতেন্দ্র তিওয়ারি বলেন, ‘মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে সোমবার রাতে কথা হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, ১৮ তারিখ ৫ মিনিটের জন্য মুখ্যমন্ত্রী সময় দিতে পারেন। সেখানেই আমি যেন কথা বলি।’ এরপরই তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন, যেখানে মুখ্যমন্ত্রীকে তিনি সরাসরি সমস্যার কথা জানাতে পারবেন , সেখানে ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গে ওই বৈঠকের কোনও প্রয়োজন নেই।
আরও পড়ুনঃ মহিলা বিশ্বকাপের সূচি প্রকাশ করল আইসিসি, অপেক্ষাকৃত দুর্বল দলের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু ভারতের।
যা বলার দিদিকেই বলব সোমবার একটি চিঠি নিয়ে সমস্যার সূত্রপাত। রাজ্যের অনুমতিতেই কেন্দ্রের ‘স্মার্ট সিটি’র টাকা পায়নি বলে ফিরহাদকে পাঠানো একটি চিঠিতে ক্ষোভপ্রকাশ করেন আসানসোলের পুর প্রশাসক জিতেন্দ্র তিওয়ারি। চিঠির কথা প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় জল্পনা। এরপরই এই নিয়ে মন্তব্যও করেন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। গতকাল তিনি বলেন, “আজ কেন সব জেনেও ও (জিতেন্দ্র তিওয়ারি) চিঠি দিল জানি না। আমার সঙ্গে ওর সম্পর্ক ভাল। ও একজন বিধায়কও। সরকারের অবস্থান ওর জানা আছে। এ বিষয়ে আগে কোনও দিন আমারকে কিছু জানায়নি। এই চিঠি দেওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত খারাপ।” তবে তারপর জানা যায় মঙ্গলবার তাঁকে নিয়ে বৈঠকে বসবেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। কিন্তু তাতে জল ঢেলে দিলেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি।









